Last Updated:
ভোটাভুটির শেষলগ্নে ভোট দিতে এসেও কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বললেন, ‘‘আমি সারাজীবনে এরকম ঘটনা দেখিনি, এত বাহিনী, বুথে বুথে বাহিনী আছে, রাজ্য পুলিশ নেই। এইরকম হওয়ার কথা না। বুথ ক্যাপচার করছে বাহিনী, আমার পাড়ায় মেয়েদের মেরেছে।’’
কলকাতা: দ্বিতীয় দফার ভোটে সকলের নজরই ভবানীপুরের দিকে। কারণ এই কেন্দ্রে লড়াই মমতা বনাম শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে। শুভেন্দুও সকাল থেকেই বেরিয়ে পড়েছেন। বুথে পরিদর্শন শুরু করেছেন তিনি। দ্বিতীয় দফার ভোটাভুটির শেষলগ্নে ভোট দিতে এসেও কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাদের বিরুদ্ধে অত্যাচারের অভিযোগ সরব তৃণমূলনেত্রী। মিত্র ইনস্টিটিউশনে ভিকট্রি সাইন দেখিয়ে ভোট দিতে ঢোকেন তিনি। জয়ের বিষয়ে একশো শতাংশ আত্মবিশ্বাসও প্রকাশ করেন মমতা। বলেন দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়েই এবার সরকার গঠন করবে তৃণমূল ৷
ভোট দিতে ঢোকার আগে মমতা বলেন, “গতকাল রাত থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী অত্যাচার করছে। এটা আদালত অবমাননা। আমার পাড়ার লোক, মেয়েদের মেরেছে। কী যে করছে, কী যে না করছে ওরা। এটা কী ওদের ডিউটি? এটা ওরা করতে পারে না। আরামবাগ, খানাকুল, গোঘাটেও অত্যাচার করছে। তবে তৃণমূলই জিতছে।”
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন সকাল সকালই কালীঘাটের বাড়ি থেকে বার হন। প্রথমেই যান চেতলা এলাকায়। তার পরে পদ্মপুকুর রোড ধরে এগিয়ে যান। মাঝপথে যেতে গিয়ে দাঁড়িয়ে পড়েন একটি বুথের সামনে। গাড়ি থেকে নেমে বুথ পরিদর্শন করেন ভবানীপুরের তৃণমূল প্রার্থী। ভোটের সকালে মমতার এই বুথ পরিদর্শন নিয়ে খোঁচা দেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, ঠেলায় পড়েই ভোটের সকালে বেরিয়েছেন মমতা। বিরোধী দলনেতার কটাক্ষ, ‘‘ঠেলায় না পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে না।’’ এদিকে দুপুর ৩টে পর্যন্ত দ্বিতীয় দফায় ভোটদানের হার ৭৮.৬৮ শতাংশ। প্রথম দফায় দুপুর ৩টে পর্যন্ত রাজ্যে ভোট পড়েছিল ৭৮.৭৭ শতাংশ। দ্বিতীয় দফায় দুপুর ৩টে পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোট পড়ল পূর্ব বর্ধমানে। সবচেয়ে কম ভোটদানের হার কলকাতা দক্ষিণে।
Kolkata,West Bengal
