সুনীত হালদার, বিটন চক্রবর্তী, প্রদ্যোৎ সরকার, হাওড়া: মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তার পরেই বাগনানে বিজেপি কর্মী খুনে গ্রেফতার করা হল অভিযুক্তকে।বাগনানে বিজেপি কর্মী খুনে গ্রেফতার আরও ১, ধৃত শেখ সইফুদ্দিন। শ্যামপুর থেকে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি।বাগনানে বিজেপি কর্মী খুনে ধৃতের সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে দাঁড়াল ১১। ১৭ জুন বাগনানে খুন বিজেপি কর্মী প্রশান্ত দে। তৃণমূলের উপপ্রধানের অনুগামীদের বিরুদ্ধে ওঠে খুনের অভিযোগ। গতকাল নিহত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুন, এবার সভাস্থল পরিদর্শন কালীঘাট-তৃণমূলের সদস্য কুণাল-দোলাদের, ২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবস পালন করবে কারা ?
মুখ্য়মন্ত্রীর কড়া বার্তার পরই অ্যাকশন।বাগনানে নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবারের সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর সাক্ষাতের পরই, খুনের ঘটনায় আরও ১ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল CID। ৫১ জনের নামে FIR দায়ের করা হলেও, এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার হয়েছে ১১জন।নিহত বিজেপি কর্মীর স্ত্রী সোমা দে বলেন, মুখ্যমন্ত্রী আমাদের বাড়িতে এসেছিলেন, অনেক ধন্যবাদ। অপরাধীদের মাটির নীচে থেকে হলেও তোলা হবে, শাস্তি দেওয়া হবে। ফাঁসিরও ব্যবস্থা ওঁরা নিচ্ছেন। সবাইকে ধরবে, এতটুকুই আশ্বাস দিয়ে গেছে।
১৭ জুন, বিজেপি কর্মী প্রশান্ত দে-কে রাস্তায় ঘিরে ধরে লাঠি, লোহার রড, ধারালো অস্ত্র দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েতের উপপ্রধানের দলবলের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ ওঠে। উলুবেড়িয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে বিজেপি কর্মীকে মৃত ঘোষণা করা হয়। বিজেপি কর্মী খুনের মামলায় তদন্তভার নেয় CID.১০ সদস্যের একটি SIT-ও গঠন করা হয়। এই প্রেক্ষাপটে শনিবার বাগনানে নিহত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে গিয়ে কড়া বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। গতকাল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আমি তাদেরকে নির্দেশ দিয়েছি বাকি ৪১ জন যেখানেই থাকুক, পাতালের ভিতরে থাকলেও খুঁড়ে বের করে গ্রেফতার করতে হবে। শনিবার রাতেই হাওড়ার শ্যামপুর থেকে গ্রেফতার করা হয় শেখ সইফুদ্দিনকে। FIR-এ ৪৩ নম্বরে নাম রয়েছে শেখ সইফুদ্দিনের।
নিহত বিজেপি কর্মীর মেয়ে রিম্পা দে বলেন, মুখ্যমন্ত্রী শনিবার বিকেলে আমাদের বাড়িতে আসেন এবং আমাদের আশ্বাস দেন আমার বাবার খুনিদের তিনি মাটির তলা থেকে খুঁজে বার করবেন এবং তারপরেই একজনকে অ্যারেস্ট করা হয়। এর আগে গত মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছিলেন কালীগঞ্জে নিহত তামান্না খাতুনের মা, আনিস খানের বাবা এবং কাকদ্বীপের নিহত দম্পতির ছেলে। তার ৫ দিনের মধ্যে, তামান্না খুনের ঘটনায় ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।তার মধ্যে একজনকে গুরুগ্রাম। আরেক অভিযুক্তকে নাগপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রবিবার গাজরুল রহমান নামে আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাতে চাই যে উনি নির্দেশ দিয়েছেন। তাই আজকে ২৪ জন আসামীকে গ্রেফতার করতে পেরেছে এবং কৃষ্ণনগরের প্রশাসন, IC-কে ধন্যবাদ জানাতে চাই। এতদিন তৃণমূল পুলিশকে কাজ করতে দেয়নি। তাই ধরা হয়নি। মমতার পুলিশ, তৃণমূল সরকার চাইত না ক্রিমিনালরা শাস্তি পাক।’সব মিলিয়ে তামান্না খুনের ঘটনায়, FIR-এ নাম থাকা ২৪ জনের মধ্যে সবাইকেই গ্রেফতার করল পুলিশ।
Bankura News: রাস্তা দখল করে ক্লাব, এবার তা ভাঙতে প্রশাসনকে নির্দেশ বাঁকুড়ার বিধায়কের