অরিন্দম সেন, আলিপুরদুয়ার: এক বিশালাকার হাতির দেহ উদ্ধার ঘিরে শোরগোল আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) জেলার কুমারগ্রামে। বক্সা জঙ্গলের ভলকা রেঞ্জের অন্তর্গত লেফ্রাগুড়ি বনবস্তিতে এক কৃষকের জমির ওপর পূর্ণবয়স্ক ওই দাঁতাল হাতির (Elephant) দেহটি পড়ে থাকতে দেখা যায়। বৃহস্পতিবার ভোরবেলা স্থানীয় গ্রামবাসীরা প্রথম দাঁতাল হাতির দেহটি দেখতে পান। ঘটনার খবর পেয়েই তদন্তে নামে বক্সা বনদফতর।
হাতির মৃত্যুর খবর জানাজানি হতেই কুমারগ্রামে শোরগোল পড়ে যায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান বনদফতরের কর্মীরা। তাঁরা হাতিটির মৃত্যুর আসল কারণ খতিয়ে দেখতে শুরু করেন। তদন্তে নেমে বনকর্মীরা জানতে পারেন, যে জমির ওপর হাতিটির দেহ উদ্ধার হয়েছে, সেটির মালিক বন্যপ্রাণীর হানা রুখতে বাড়ির সীমানা তারের ফেন্সিং বা বেড়া দিয়ে ঘিরে রেখেছিলেন। শুধু তাই নয়, ওই বাড়ির একটি ঘরে ইনভার্টারের সঙ্গে যুক্ত লম্বা ইলেকট্রিক তারও উদ্ধার হয়।
বনদফতরের কর্মীদের প্রাথমিক অনুমান, হাতির আক্রমণ রুখতে বাড়ির সীমানার ফেন্সিংয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ করে রাখা হয়েছিল। আর সেই বিদ্যুতের সংস্পর্শে এসেই মৃত্যু হয়েছে হাতিটির। দুর্ঘটনার পর তড়িঘড়ি বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে তা লুকিয়ে ফেলার চেষ্টাও করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এমনকি হাতিটির শুঁড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার স্পষ্ট চিহ্ন দেখতে পেয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে ইতিমধ্যেই পলাশ রাভা ও মিঠুন রাভা নামে দুই ব্যক্তিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে বনদফতর। পাশাপাশি, ঘটনাস্থলে সরেজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে হাজির হয়েছেন বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের এফডি ও ডিএফডি।
আরও পড়ুন – GI Tag: আম-সিল্কের পর এবার আশাপুরের বেগুন, মালদার ঝুলিতে এল আরও এক GI ট্যাগ
Suvendu Adhikari: “পশ্চিমবঙ্গে এমন খারাপ অবস্থা আগে ছিল না…”, বললেন শুভেন্দু অধিকারী