ফলতা: বিজেপিকে (BJP) ভোট দেওয়ায় হামলা চালাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস! খুন করার, বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে! এই অভিযোগ তুলে ফলতা বিধানসভার হাসিমনগর এলাকায় তুমুল বিক্ষোভ দেখানো চলছে। ফলতায় পুনর্নির্বাচন হতে পারে, এ নিয়ে নির্বাচন কমিশন কী পদক্ষেপ করে, সেদিকে তাকিয়ে সকলে। তার মাঝেই অগ্নিগর্ভ ফলতা।
ভোটের পর হামলা চলছে, এই অভিযোগে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন বিজেপি সমর্থকরা। বিজেপিকে ভোট দেওয়ায় হামলা চালাচ্ছে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা, দাবি বিজেপি সমর্থকদের। গতকালের পর আজও হামলার অভিযোগে বিক্ষোভ স্থানীয় বিজেপি সমর্থকদের।
ঘটনাস্থলে সাঁজোয়া গাড়ি নিয়ে হাজির প্রচুর সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী। জাহাঙ্গির খান ঘনিষ্ঠ পঞ্চায়েত প্রধানকে গ্রেফতারের দাবি বিজেপি সমর্থকদের।
এমনিতেই পুনর্নির্বাচনের দাবিতে তোলপাড় হচ্ছে ফলতা। এবারের নির্বাচনে শুরু থেকেই ফলতা শিরোনামে। যেখানে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে ভোটারদের ভয় দেখানো, হুমকি দেওয়া, প্রভাবিত করার মতো ভুরি ভুরি অভিযোগ উঠেছিল। পরিস্থিতি সামলাতে বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসাবে আনা হয়েছিল উত্তর প্রদেশের ‘সিংহম’ নামে পরিচিত আইপিএস অজয় পাল শর্মাকে। জাহাঙ্গিরের গড়ে তাঁর কড়া বার্তার ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ হলেও পুনর্নির্বাচন নিয়ে তুঙ্গে জল্পনা। তার মাঝেই ফের অগ্নিগর্ভ সেই ফলতা।
আরও পড়ুন: রাহুল-নিসাঙ্কার বিধ্বংসী ইনিংসে আইপিএলে ইতিহাস দিল্লি ক্যাপিটালসের, নেমেই ভয়ঙ্কর স্টার্ক
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন বলে তাঁদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। হুমকি দেওয়া হচ্ছে বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার। জাহাঙ্গির ঘনিষ্ঠ এক পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে মূলত অভিযোগ।
ফলতায় EVM-এ কারচুপির অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তর রিপোর্টে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ভোটের দিন সকালে ফলতার একাধিক বুথের ক্যামেরাই বন্ধ করা দেওয়া হয়েছিল বেল জানানো হয়েছে সেই রিপোর্টে। দুপুর একটা নাগাদ ‘টেপ রিভুমড’ বলে তথ্য দিয়ে জানান প্রিসাইডিং অফিসার। তার মধ্যে ৫৮% ভোট পড়ে গিয়েছিল ফলতায়। তবে, ফলতায় পুনর্নির্বাচন হবে কি না তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত কিছু জানায়নি নির্বাচন কমিশন।
আরও পড়ুন: ‘কাউন্টিংয়ে কেন শুধু কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী?’ মামলা TMC-র, কী বলল সুপ্রিম কোর্ট?
ফলতায় পুনর্নির্বাচন হবে ?
ফলতা পুনর্নির্বাচন হবে কি না, তা নিয়ে নানারকম সম্ভাবনার কথা উঠে আসছে। শোনা যাচ্ছে, ফলতা নিয়ে নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিতে পারে কমিশন। তবে ফলতার পুনর্নিবাচন হতে পারে গণনার পরেও। আইন অনুযায়ী গণনার পরেও পুনর্নির্বাচন করতে পারে কমিশন। সেই আইন প্রয়োগ করতে পারে কমিশন। আবার ফলতায় রিপোল হতে পারে গণনার আগের দিনও। রবিবারও রিপোল করাতে পারে কমিশন। ২৩টি বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি করেছিল বিজেপি। ফলতা নিয়ে বিজেপির অভিযোগের পরই তৎপর হন খোদ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার।
আরও পড়ুন: ৯ ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদ হয়েছে শুক্রবার, পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের তলব TMC-র হেভিওয়েট নেতাকে