রুমা পাল, কলকাতা : ২ মেদিনীপুরের গণনায় কোনও অস্থায়ী কর্মী রাখা যাবে না। ভোটের ফলাফলের ২ দিন আগে নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে ভোটের গণনার দিন কোনও অস্থায়ী কর্মীকে কাজে রাখা যাবে না। আগামী ৪ মে সোমবার ভোটের গণনা। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরের গণনাকেন্দ্রে কোনও অস্থায়ী কর্মীকে রাখা যাবে না। নির্বাচন কমিশনের তরফে এমনই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ভোট গণনায় এবার রাজীব কুমারকে বিশেষ দায়িত্ব তৃণমূলের
বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেছিলেন পিংলা এবং দাসপুরে অস্থায়ী কর্মীদের ভোটের গণনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই নিয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছিলেন তিনি। তার পরিপ্রেক্ষিতে আজ ২ মে শনিবার, ভোটের গণনার ঠিক ২ দিন আগে নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরের গণনাকেন্দ্রে কোনও অস্থায়ী কর্মীকে রাখা যাবে না।
নির্বিঘ্নে ভোটগণনা করতে এবার, অতিরিক্ত অবজার্ভার নিয়োগ করল নির্বাচন কমিশন
১৬৫ জন নতুন কাউন্টিং অবজার্ভার ও ৭৭ জন পুলিশ অবজার্ভার নিয়োগ করা হয়েছে। ভয়মুক্ত ও স্বচ্ছ গণনাপ্রক্রিয়ার জন্যই অতিরিক্ত অবজার্ভার নিয়োগ, জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী, রাস্তায় QRT-র গাড়ির টহল। জায়গায় জায়গায় মোতায়েন কেন্দ্রীয় বাহিনীর সাঁজোয়া গাড়ি। নজিরবিহীন নিরাপত্তায় ভোটদান পর্ব দেখেছে রাজ্য়বাসী। ভয়মুক্ত ভোটের পর, এবার, নির্বাচন কমিশনের লক্ষ্য়, ভয়মুক্ত গণনা। তাই গণনাপর্বের জন্য়, এবার, অতিরিক্ত ১৬৫ জন কাউন্টিং অবজার্ভার এবং ৭৭ জন পুলিশ অবজার্ভার মোতায়েন করল নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, অতিরিক্ত পর্যবেক্ষকদের মূল উদ্দেশ্য হল গণনাকেন্দ্রগুলিতে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা। পুরো প্রক্রিয়াটি যাতে নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ, ভয়মুক্ত ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয় তা নিশ্চিত করবেন অতিরিক্ত পর্যবেক্ষকরা। যেসব বিধানসভা কেন্দ্রে একাধিক গণনাকক্ষ রয়েছে, সেখানে কাউন্টিং অবজার্ভারদের সহায়তায় নিয়োগ করা হবে অতিরিক্ত অবজার্ভাদের। পাশাপাশি, ৭৭টি গণনাকেন্দ্রের জন্য়, অতিরিক্ত ৭৭ জন পুলিশ অবজার্ভার মোতায়েন করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে বলা হয়েছে, পুলিশ অবজার্ভাররা গণনাকেন্দ্রের বাইরে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা দেখভাল করবেন। তবে গণনার দিন তাঁরা কোনও অবস্থাতেই গণনাকক্ষে প্রবেশ করতে পারবেন না। গণনাকেন্দ্রে প্রবেশ সম্পূর্ণভাবে কিউআর কোড-ভিত্তিক পরিচয়পত্রের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হবে। কাউন্টিং অবজার্ভার এবং রিটার্নিং অফিসার ছাড়া, গণনাকেন্দ্রে কেউ মোবাইল ফোন নিয়ে ঢুকতে পারবেন না। গণনার ফলাফল নির্ধারিত ফর্মে প্রস্তুত করে, গণনা এজেন্টদের স্বাক্ষরের জন্য ভাগ করা হবে।