এই বৈঠকে কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেট মন্ত্রীরা, স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীবর্গ উপস্থিত থাকবেন।
চলতি বছরে এটি হবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিপরিষদের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বৈঠক। একই সঙ্গে সম্ভাব্য মন্ত্রিসভা রদবদল নিয়ে জল্পনার মধ্যেই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে চলেছে।
ইন্ডিয়া টুডে-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা চলতে থাকায় আজ সমস্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের রাজধানী দিল্লিতে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।
সরকারি প্রকল্প এবং পরিকাঠামো উন্নয়নমূলক কাজের বাস্তবায়ন ও অগ্রগতি নিয়েই মূলত এই পর্যালোচনা বৈঠকে আলোচনা হবে। বিভিন্ন মন্ত্রকের মধ্যে সমন্বয়, কার্যকর বাস্তবায়ন এবং পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়েও বিশেষ জোর দেওয়া হবে।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী আগামী দশকের জন্য সরকারের সংস্কারমূলক রূপরেখা তুলে ধরে বলেছিলেন, কেন্দ্রের “রিফর্ম এক্সপ্রেস” ব্যবস্থাগত পরিবর্তন এনে সাধারণ মানুষের কাছে বাস্তব সুবিধা পৌঁছে দিয়েছে।
চলমান নীতিগত উদ্যোগ এবং কেন্দ্রের বিভিন্ন ফ্ল্যাগশিপ কল্যাণমূলক প্রকল্পের বর্তমান পরিস্থিতিও খতিয়ে দেখা হতে পারে। আগামী ১০ জুন তৃতীয় মোদি সরকারের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি হওয়ার আগে এই বৈঠক যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
সাধারণত প্রধানমন্ত্রী সম্পূর্ণ মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে শাসনব্যবস্থার অগ্রাধিকার, বিভিন্ন মন্ত্রকের লক্ষ্য নির্ধারণ এবং আগামী কয়েক মাসের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক রূপরেখা নিয়ে আলোচনা করেন।
পশ্চিম এশিয়ায় চলতে থাকা সংঘাত এবং তার ভারতের অর্থনীতির উপর প্রভাবও এই বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় হতে পারে।
আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন, মূল্যবৃদ্ধি এবং অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধির উপর নজর রাখছে কেন্দ্র সরকার।
এই গোষ্ঠীতে রয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহ, নির্মলা সীতারামন এবং হরদীপ সিং পুরী। সম্প্রতি রাজনাথ সিং জানিয়েছেন, পরিস্থিতির উপর সরকার “২৪ ঘণ্টা নজরদারি” চালাচ্ছে।
তিনি বলেন, “অপরিশোধিত তেল, জ্বালানি বা এলপিজি— সব ক্ষেত্রেই আমাদের কাছে পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। বর্তমানে বিশেষ কোনও সমস্যা নেই।”
এই বৈঠক এমন এক সময়ে হচ্ছে, যখন মোদি ৩.০ সরকারের মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ ও রদবদল নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে।
ইন্ডিয়া টুডে-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় সম্ভাব্য রদবদল ও সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা জোরদার হয়েছে। জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন আনা হতে পারে বলেও জল্পনা চলছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্ভাব্য রদবদলের আগে বিভিন্ন মন্ত্রকের কাজকর্ম এবং সাংগঠনিক কার্যকারিতাও খতিয়ে দেখছে সরকার।