শ্রী কৃষ্ণ মোহনের অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের করা এফআইআর:
শ্রী রাম জন্মভূমি ট্রাস্টের সদস্য শ্রী কৃষ্ণ মোহনের অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের করা এফআইআর-এ আটজনের নাম-পরিচয় উল্লেখ করা হয়েছে এবং আরও বেশ কয়েকজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকেও অভিযুক্ত হিসেবে নাম দেওয়া হয়েছে এই এফআইআর-এ। এদের মধ্যে রয়েছেন তিনু যাদব, লবকুশ মিশ্র, অনুকল্প মিশ্র, অবিনাশ শুক্লা এবং মনীশ যাদব।
তবে কি সর্ষের মধ্যেই ভূত?
সূত্রের রিপোর্ট অনুসারে, এই ব্যক্তিরা মন্দিরে প্রাপ্ত অনুদান ও অর্ঘ্য গ্রহণ, গণনা এবং জমা দেওয়ার প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তবে কি সর্ষের মধ্যেই ভূত? তদন্ত চলাকালীন সিটের সদস্যরা ট্রাস্টের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি, কর্মচারী এবং দান গণনার সঙ্গে জড়িত যাবতীয় ব্যাক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া নথি ও বয়ান পর্যালোচনায় বেশ কিছু অসঙ্গতি প্রকাশ পেয়েছে বলে জানা যায়।
অনুদান চুরির অভিযোগে অভিযুক্ত ৮ জন কারা?
বৃহস্পতিবার, রাম মন্দিরের দানবাক্স চুরির ঘটনার বিশেষ তদন্তকারী দলের (এসআইটি) সুপারিশে রাম জন্মভূমি ট্রাস্ট আটজন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছে। ট্রাস্ট এবং পুলিশ প্রাথমিক ভাবে অভিযুক্তদের নাম প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জানালেও, কিছুক্ষণেই তাঁদের নাম প্রকাশ করা হয়। এই আটজন অভিযুক্তের নাম নীচে দেওয়া হল।
রমাশঙ্কর যাদব ওরফে তিননু (চম্পাতের ঘনিষ্ঠ বন্ধু/চালক)
অনুকল্প মিশ্র
অবিনাশ শুক্লা
করুণেশ পাণ্ডে
মনীশ যাদব
লভকুশ মিশ্র
রাম শঙ্কর মিশ্র
সুভাষ শ্রীবাস্তব (ক্যালকুলেশন ইনচার্জ) (অবসরপ্রাপ্ত ব্যাঙ্ক কর্মচারী)
দোষী প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা:
উপরোক্ত তালিকার ভিত্তিতে, সিট একটি মামলা দায়ের করে আরও তদন্তের সুপারিশ করেছে। এরপর বিএনএস আইনের বিভিন্ন ধারায় একটি এফআইআরও দায়ের করা হয়। পুলিশ এবার বিষয়টি আলাদাভাবে তদন্ত করবে, এবং সেইসঙ্গে সিটের তরফে বিস্তারিত তদন্তও চলতে থাকবে বলেই সূত্রের খবর। সূত্র মতে, আগামী দিনে আরও বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে বিশেষ তদন্তকারী দল। মামলায় কঠোর মনোভাব নিয়েছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। এই চুরির মামলায় আগামী কয়েকদিনেই আরও গ্রেফতারির সম্ভাবনা রয়েছে বলেই সূত্রের খবর।