ক্যানিং : বিধানসভা ভোটের আগে শুভেন্দু অধিকারীকে ‘কোমর ভাঙা’র হুঙ্কার দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। এই মর্মে ক্যানিং পশ্চিমের তৃণমূল বিধায়ক পরেশরাম দাসের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের হল। ২০২৬-এর ১৪ মার্চ ক্যানিংয়ে বিধায়কের উদ্যোগে একটি ইফতার পার্টির আয়োজন করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানে শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা করেছিলেন তৃণমূল বিধায়ক পরেশরাম দাস। অভিযোগ, শুভেন্দু অধিকারীর কোমর ভাঙার হুঙ্কার দিয়েছিলেন ক্যানিং পশ্চিমের তৃণমূল বিধায়ক। পরেশরামের পুরনো মন্তব্যের বিরুদ্ধে এবার থানায় লিখিত অভিযোগ করল বিজেপি।
অভিযোগকারী অসিত মণ্ডল বলেন, “২০২১-এ বিধায়ক পরেশরাম দাস জেতার পরে যে হারে অত্যাচার সারা ক্যানিংজুড়ে করেছেন, এরকম আমরা জীবনে কোনওদিন দেখিনি। আমরা থানায় অনেক সময় অভিযোগ করতে গেছি। অভিযোগ নেয়নি। এখন সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমরা জানি, প্রশাসন আমাদের অভিযোগ নেবে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে আজ আমরা এখানে এফআইআর করতে এসেছি।”
বদলেছে সরকার। বদলেছে অ্য়াকশন। এবার গুন্ডামি করলে আর নিস্তার নেই। বিধানসভায় দাঁড়িয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেছেন, শুনে রাখুন যা হয়ে গেছে তা অতীত। আর কিছু করতে দেব না। যদি করে এই আইনের কঠিন ও কঠোর প্রয়োগ হবে। আর যে যার পাস্ট রেকর্ড খারাপ থাকবে, যে দলেরই হোক, যে নেতাই হোক, ১ বছর প্রিভেন্টিভ অ্যারেস্ট থাকবে।”
বিক্ষোভ-প্রতিবাদের নামে সরকারি বা ব্যক্তিগত সম্পত্তি নষ্টে এবার কড়া পদক্ষেপ। অভিযুক্তদেরই ঘটিবাটি বেচে ক্ষতিপূরণ আদায় করবে সরকার। সোমবার বিধানসভায় গুন্ডা দমন বিল পাস করাতে গিয়ে, ছত্রে ছত্রে সেটাই পরিষ্কার বুঝিয়ে দিয়েছেন মুখ্য়মন্ত্রী। তিনি বলেছেন, “সুদ-সহ আদায় করব। ৩ গুণ টাকা আদায় করব। ভিটেমাটি বেচে আদায় করব। শুধু জেল খাটাব না। স্থাবর অস্থাবর সব সম্পত্তি অ্যাটাচমেন্ট করব খুব দ্রুত, নিলাম করব, আদায় করব। আর সবচেয়ে আতঙ্কের জায়গাটা আপনাদের হয়েছে কোথায় জানেন ? প্রিভেন্টিভ অ্যারেস্ট। তাইতো ? ১ বছর পর্যন্ত।”
গত ১৫ বছরের তৃণমূল জমানায় এরাজ্য়ে বারবার অভিযোগ উঠেছে গুন্ডাদের প্রশ্রয় দেওয়ার। থানায় গিয়ে গুন্ডা ছাড়িয়ে আনা, থানায় হামলা চালানো, কিছুই বাদ যায়নি। এই প্রেক্ষাপটে সোমবার শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভায় কড়া হুঁশিয়ারি দেন।
তিনি বলেছিলেন, “কালীঘাট থানায় পুলিশ টেবিলের তলায় ঢুকেছিল। আপনি ভেবেছেন ওইটা ? আমার দায়িত্ব পুলিশকর্মীদের নিরাপত্তা দেওয়া। সরকারি বেসরকারি যাই ভাঙুক, এক ইঞ্চি এগোতে দেব না। একদম নিশ্চিন্ত থাকুন। দাঙ্গা, বেআইনি সমাবেশ, হিংসাত্মক বিক্ষোভ, আইন শৃঙ্খলা ভঙ্গের অন্যান্য ঘটনায় সরকারি ও বেসরকারি সম্পত্তির সুরক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।”
TMC News: সুপ্রিম কোর্টেও আটকাল না NIA তদন্ত, ৩ বছর পর রিষড়া কাণ্ডে অপরূপার স্বামীকে গ্রেফতার NIA-র