কলকাতা: বুধবার, ২৯ এপ্রিল রাজ্যে দ্বিতীয় তথা চূড়ান্ত দফার নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে এবার ২ দফা নির্বাচন হয়েছে, গতকালই শেষ হয়েছে ভোট। ফলাফল বেরোবে ৪ মে। তবে তার আগে উত্তেজনা পশ্চিমবঙ্গে। দফায় দফায় সামনে চলে আসছে বিভিন্ন বিক্ষোভের খবর। এবার একেবারে খাস কলকাতার বুকে বিক্ষোভ! নেতাজি ইনডোরে উত্তেজনা, তৃণমূল বিজেপির মধ্যে স্লোগান যুদ্ধে উত্তপ্ত হল পরিস্থিতি। তৃণমূলের নেতানেত্রী থেকে শুরু করে, বিজেপি নেতা, কর্মী সমর্থকেরাও হাজির হয়ে গিয়েছিলেন। তৃণমূলের অভিযোগ ছিল, স্ট্রং রুমে ঢুকেছে বহিরাগতরা! এ নিয়ে একটি ভিডিও-ও তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে প্রকাশ্যে আনা হয়। তৃণমূলের অভিযোগ, স্ট্রং রুমে নাকি বহিরাগতরা ঢুকেছে!
যদিও বৃহস্পতিবার রাতে সাংবাদিক সম্মেলন করে সব অভিযোগ নস্যাৎ করে দিলেন নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) ডিস্ট্রিক্ট অবজার্ভার নর্থ স্মিতা পাণ্ডে। তিনি বলেছেন, ‘৪ মে গণনা। যা হচ্ছে সেটা পদ্ধতি মেনেই হচ্ছে। আমরা পোল ব্যালটসটাকে বাইরে না নিয়ে এসে ওখানে যে করিডরটা ছিল, সেখানে আমাদের অ্যাসিস্ট্যান্ট রিটার্নিং অফিসারেরা, তাঁরা ওই করিডরের মধ্যে বসেই ওই সেগ্রিগেশনের কাজটা করছিলেন। যেহেতু ওখানে স্ট্রং রুম আছে, তাই আমরা পাওয়ার রাখতে পারি না আইন অনুযায়ী। তো এই জন্য ওঁরা যে লাইটটা ছিল, প্লাস কিছু টর্চলাইট নিয়ে বসে সেগ্রিগেশন করছিলেন। এখনও করছেন, কারণ সেগ্রিগেশন করতে টাইম লাগে।’
সব দলকেই আগাম জানানো ছিল বলেও দাবি করেন স্মিতা। বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন পলিটিক্যাল পার্টিকে নোটিশ পাঠিয়েছিলাম, জেলা থেকে মেল করেছিলাম। সমস্ত পলিটিক্যাল পার্টিকে সকাল ১০টায় জানানো হয়েছিল যে আমরা বিকেল চারটে থেকে এই কাজটা করতে যাচ্ছি। আরও-দের আমরা অনুরোধ করেছিলাম প্রত্যেক প্রার্থী ও তাঁদের এজেন্টকে ইনফর্ম করে দিতে। ওঁরা ইনফর্ম করেছেন। এর বাইরে আজ সকালে স্ক্রুটিনি ছিল এবং সেই সময় মুখেও বলে দেওয়া হয়েছিল। জানানো হয়নি বলে যে অভিযোগ উঠছে তা সর্বৈব ভুল।’
আরও পড়ুন: সত্যিই কি স্ট্রং-রুমে ঢুকেছিল বহিরাগতরা? তৃণমূলের অভিযোগ শুনে কী জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন?
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের শশী পাঁজা ম্যাডাম ও কুণাল ঘোষ যখন এসেছিলেন এবং বিজেপির সন্তোষ পাঠকের ইলেকশন এজেন্ট মিস্টার কালী এসেছিলেন, এবং স্ট্রং রুমের দরজা খোলা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়, তখন আমি নিজে গিয়ে সকলকে দেখাই যে স্ট্রং রুমের দরজা সিল করা আছে এবং সেটার ভিডিও রেকর্ডিংও করা হয়। তাই যে অভিযোগ করা হচ্ছে,. তা একেবারে মিথ্যা, একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়।’