Last Updated:
শুক্রবার ২০ জন সাংসদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইন প্রয়োগের চিঠি দেয় তৃণমূল। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সেই দলে ছিলেন মহুয়া মৈত্রও।
কলকাতা: শুক্রবার ২০ জন সাংসদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইন প্রয়োগের চিঠি দেয় তৃণমূল। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সেই দলে ছিলেন মহুয়া মৈত্রও। বিদ্রোহীদের নিয়ে এবার মুখ খুললেন মহুয়া মৈত্র।
তিনি বলেন, “এই দল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও কর্মীদের দ্বারা তৈরি হয়েছে। যে যেখানে খুশি যাক। আমরা দলত্যাগ বিরোধী আইন এদের বিরুদ্ধে প্রয়োগ করব। আমি জিতেছি কৃষ্ণনগর থেকে। আমাকে দেখে নয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখে ভোট দিয়েছে। সবার শিক্ষার মান এক হয় না। এই এমপি’রা সেটা পড়ে দেখেনি”।
পাশাপাশি মহুয়ার মতে, ২০ সাংসদ সই করে বলেছে ওরা NCPI, আইন অনুযায়ী এদের পদ বাতিল হওয়ার কথা। সংসদীয় দল কোনওভাবে মিশে যেতে পারে না, রাজনৈতিক দল পারে। ব্যক্তিগত আক্রমণে যাবেন না। আইনত বলুন কোন ধারায় আপনাদের নাম বাদ যাবে না। এরা প্রতীক ছেড়ে রাস্তায় নামুন দেখি? এত সাহস থাকলে ববি কংগ্রেস, অরুপ কংগ্রেস, ঋতব্রত কংগ্রেস, আখরুজ্জামান কংগ্রেস থেকে দাঁড়িয়ে যাননি।
পাশাপাশী টাকা দিয়ে ঘোড়া কেনাবেচার অভিযোগও করেন তিনি। মহুয়ার অভিযোগ, “সব প্রার্থীকে ২৫ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হয়েছে। আসলে এরা ভয়ে গেছে। কেউ শো পাবে না বলে, কেউ বরোদায় জমি কেলেঙ্কারির জন্য। বসুনিয়ার বউ বিধায়ক। আবার বলছে ওর সাথে কথা বলা হয়নি। কেন রে? তোমার সাথে কথা না বলে তোমার বউকে টিকিট দেওয়া হয়েছে? অসিত মাল বলছে ওর সাথে নাকি দিদি কথা বলেনি। তাহলে সাংসদ হল কি করে?”
এই নিয়ে জগদীশ বসুনিয়াকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “আমাদের দল আছে, কী ব্যবস্থা নেওয়া যায় আলোচনা করে ঠিক করবে”। এরা খুল্লামখুল্লা কিছু করছে না। এরা প্রকাশ্য কিছু করছে না। অনেক জন সাংসদ হয়েছে তারা প্রথমবার। এদের পরিবারের কেউ হয়নি। এরা আগে দলের হয়ে বলতে চাইত, হেলিকপ্টারে প্রচার করত। আর এখন এরা দলের বদনাম করছে।
Kolkata [Calcutta],Kolkata,West Bengal
