Last Updated:
New Business Idea: নারায়ণগড়ে আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে মাটির চায়ের কাপ তৈরির একটি নতুন উদ্যোগ গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। প্রচলিত পদ্ধতির পরিবর্তে যন্ত্রনির্ভর উৎপাদনের ফলে অল্প সময়ে বিপুল সংখ্যক কাপ তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে। এর ফলে উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগও তৈরি হয়েছে। লাফিয়ে বাড়ছে লাভ।
বেলদা, পশ্চিম মেদিনীপুর, রঞ্জন চন্দ: বাঙালির আড্ডা হোক বা সকালের ঘুম ভাঙা, এক ভাঁড় গরম চা ছাড়া দিনটা ঠিক জমে না। তবে যুগের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এবার বদলাতে শুরু করেছে সেই মাটির ভাঁড় বা কাপ তৈরির চেনা ছবিটাও। কাদা মাখানো চাকা ঘুরিয়ে প্রাচীন পদ্ধতিতে নয়, আধুনিক প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে এখন খুব কম সময়ে গুঁড়ো মাটি দিয়েই তৈরি হচ্ছে চায়ের সুদৃশ্য কাপ। পশ্চিম মেদিনীপুরের নারায়ণগড় ব্লকের প্রত্যন্ত শ্যামপুরা এলাকায় এখন এই আধুনিক প্রযুক্তির হাত ধরেই স্বনির্ভরতার এক নতুন দিগন্ত খুলে গিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আধা ভেজা গুঁড়ো মাটিকে যন্ত্রের সাহায্যে অতি সহজে প্রতি মিনিটে কয়েকশো কাপে রূপান্তরিত করছেন এলাকার পুরুষ ও মহিলা কর্মীরা। প্রাচীন ঐতিহ্যকে বজায় রেখেই বিজ্ঞানের মেলবন্ধনে তৈরি হওয়া এই চায়ের কাপের দৈনিক উৎপাদন এখন প্রায় তিরিশ হাজারে গিয়ে ঠেকেছে। পাইকারি বাজারে এক একটি কাপ দেড় থেকে দুই টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আধুনিক এই যন্ত্র আসার ফলে শ্রম যেমন কমেছে, তেমনই বহুগুণ বেড়ে গিয়েছে উৎপাদনের গতি।
অন্যদিকে, পুরুষ ও মহিলা মিলিয়ে একেকজন শ্রমিকের দৈনিক রোজগার দাঁড়াচ্ছে প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। প্রত্যন্ত গ্রাম বাংলার বুকে এই কুটির শিল্প এখন বহু পরিবারকে নতুন করে বাঁচার আলো দেখাচ্ছে, করে তুলছে স্বনির্ভর। চায়ের কাপে চুমুক দেওয়ার চিরাচরিত আনন্দ বজায় রেখেই গ্রামের এই মানুষগুলো এখন নিজেদের ভাগ্য বদলে ব্যস্ত।
Paschim Medinipur,West Bengal
New Business Idea: সব কাজ করে দেবে মেশিন, আপনি শুধু বসে বসে টাকা গুনবেন! ভুল করেও ‘এই’ ব্যবসা শুরু করলে লাফিয়ে বাড়বে ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স