Last Updated:
এই টানাপোড়েনের মাঝে পড়ে দু দেশের সীমানার মধ্যবর্তী নো ম্যানস ল্যান্ড-এ আটকে পড়েন ওই প্রৌঢ়৷
দীর্ঘ ২০ ঘণ্টা ধরে চলল টানাপোড়েন৷ শেষ পর্যন্ত নো ম্যানস ল্যান্ড-এ আটকে থাকা প্রৌঢ়কে নিজেদের নাগরিক বলে স্বীকার করে নিয়ে তাঁকে ফিরিয়ে নিল বাংলাদেশ৷
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয় মেঘালয়ের নন্দীরচর এলাকার মহেন্দ্রগঞ্জের ভারত- বাংলাদেশ সীমান্তে৷ অভিযোগ, বেআইনি ভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের সময় বিএসএফ-এর হাতে ধরা পড়েন বাংলাদেশী নাগরিক ওই প্রৌঢ়৷ এর পরই তাঁকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর চেষ্টা শুরু করে বিএসএফ এবং ভারতীয় কর্তৃপক্ষ৷
যদিও বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড বা বিজিবি এবং সেদেশের সীমান্ত লাগোয়া এলাকার বাসিন্দারা প্রথমে ওই প্রৌঢ়কে নিজেদের দেশের নাগরিক হিসেবে মানতেই রাজি হচ্ছিলেন না৷ এ দিকে বিএসএফ-ও তাঁকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে দিতে বদ্ধপরিকর ছিল৷
বিএসএফ-এর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, আটক ওই প্রৌঢ় বাংলাদেশের রাজশাহি জেলার গোদাগরি থানা এলাকার চাঁধলাই গ্রামের বাসিন্দা৷ কিন্তু বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী এবং সেদেশের কর্তপক্ষ নিজেদের নাগরিককে মানতে অস্বীকার করায় এই টানাপোড়েনের পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়৷
যেভাবে দীর্ঘ ২০ ঘণ্টা ধরে ওই প্রৌঢ়কে নো ম্যানস ল্যান্ডে অপেক্ষা নিজের দেশেই ঢুকতে বাধা দেওয়া হল, এই অমানবিক আচরণ নিয়েও সমাজমাধ্যমে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে৷
এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি অদূর ভবিষ্যতেও ঘটার সম্ভাবনা থাকছে৷ কারণ ইতিমধ্যেই অসমে বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ করতে শুরু করেছে প্রশাসন৷ মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানিয়ে দিয়েছেন, ২০২৬ সালে অসমে বেআইনি ভাবে বসবাসকারী বাংলাদেশীদের খুঁজে বের করতে আরও কড়া হবে তাঁর সরকার৷ সেই মতো পদক্ষেপও শুরু করেছে প্রশাসন৷ বেআইনি ভাবে অন্য দেশের কোন কোন নাগরিকরা ভারতে বসবাস করছেন, তাঁদের খুঁজে বের করতে উঠেপড়ে লেগেছে অসমের প্রশাসন৷
Kolkata,West Bengal
