Last Updated:
Uddhav Thackeray: বাংলায় ভোটের ২ মাস মিটতে না মিটতেই কার্যত ভেঙে খান খান পূর্বতন শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস৷ এবার মহারাষ্ট্রে শিবসেনার ভাঙন নিয়েও জল্পনা বাড়ছে৷ জানা গিয়েছে, বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিতে পারেন উদ্ধবের দলের ৭ সাংসদ৷
মুম্বই: একদিকে ‘অপারেশন টাইগার’ নিয়ে ক্রমশ বাড়ছে জল্পনা৷ বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিতে পারেন উদ্ধবের দলের ৭ সাংসদ, মঙ্গলবার শিবসেনা দলেরই এক নেতার এমন দাবির পর আরও জোরালো হয়েছে জল্পনা৷ দল ভেঙে যাওয়ার জল্পনার মাঝেই সাংসদদের সঙ্গে বৈঠক করলেন শিবসেনা (ইউবিটি) উদ্ধব ঠাকরে৷ সূত্রের খবর, বৈঠকে নাকি ঠাকরে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, যারা দল ছাড়তে চায় তারা চলে যেতে পারে৷ যদিও দুই শিবিরের নেতারা ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন দাবি তুলে ধরেছেন।
সূত্রের খবর, এদিনের বৈঠকে ২০২২ সালের বিদ্রোহের প্রসঙ্গ টেনে তিনি নাকি বলেন, তিনি মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীনও সবকিছু জানতেন, কিন্তু কাউকে দলে থাকার জন্য চাপ দেননি। উদ্ধব বলেন, “চার বছর আগে দলে বড় ভাঙন হয়েছিল। ৪০ জন বিধায়ক দল ছেড়ে গিয়েছিলেন। আপনারা কি মনে করেন আমি কিছুই জানতাম না?” তিনি আরও বলেন, যারা বালাসাহেব ঠাকরের শিবসেনা ছেড়ে গিয়েছেন, তারা একদিন নিজেদের সিদ্ধান্তের জন্য অনুতপ্ত হবেন, কিন্তু তখন অনেক দেরি হয়ে যাবে।
“আজ হয়ত আমার সময় নয়, কিন্তু আগামীকাল অবশ্যই আমার হবে। ততদিন আমাদের ধৈর্য ধরে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে,” বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তবে দিল্লিতে শিবসেনা (ইউবিটি) সাংসদ সঞ্জয় রাউত এই দাবিকে সরাসরি খারিজ করে দেন। তিনি জানান, বৈঠকে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত উপস্থিত ছিলেন এবং উদ্ধব ঠাকরে কখনও বলেননি যে কেউ চাইলে দল ছেড়ে যেতে পারে। রাউত বলেন, “উদ্ধব ঠাকরে এমন কথা বলেননি এবং তিনি কখনও এমন কথা বলবেনও না।”
উদ্ধবের নেতৃত্বের প্রশংসা করে তিনি বলেন, মহারাষ্ট্রে এমন নেতা খুব কম আছেন, যিনি এত সংখ্যক কর্মী-সমর্থকের সঙ্গে নিয়মিত দেখা করেন। “শরদ পাওয়ারের পরে উদ্ধব ঠাকরেই সবচেয়ে বেশি মানুষের সঙ্গে দেখা করেন। মাতোশ্রীর দরজা সবসময় খোলা থাকে,” বলেন রাউত।
তিনি আরও দাবি করেন, দলের ৯ জন সাংসদই ঐক্যবদ্ধ রয়েছেন। বিভিন্ন দলের নেতাদের মধ্যে সাক্ষাৎ হওয়া স্বাভাবিক বলেও মন্তব্য করেন তিনি। রাউত বলেন, “যদি সঞ্জয় দেশমুখ প্রতাপরাও জাধবের সঙ্গে দেখা করেন, তাতে সমস্যা কোথায়? আমার কাজ থাকলে আমিও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করব। প্রধানমন্ত্রী দেশের, মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের। রাজনৈতিক লড়াই চলবে, কিন্তু জনস্বার্থে বৈঠককে অন্য রঙ দেওয়া উচিত নয়।”
প্রসঙ্গত, বাংলায় ভোটের ২ মাস মিটতে না মিটতেই ভেঙে খান খান পূর্বতন শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস৷ এরপরেই মহারাষ্ট্রের শিবসেনার ভাঙনের খবর এবং অপারেশন টাইগারের জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে৷ একনাথ শিন্ডে শিবিরের নেতারা ‘অপারেশন টাইগার’ নিয়ে নিজেদের অবস্থান আরও জোরালো করেছেন। মন্ত্রী প্রতাপ সারনাইক দাবি করেন, এটি কোনও এককালীন রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, বরং সারা বছর ধরে চলা একটি প্রক্রিয়া।
Kolkata,West Bengal
