Last Updated:
তৃণমূল থেকে বহিষ্কার করার পরেও কী ভাবে বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসাবে বেছে নিলেন স্পিকার রথীন্দ্র বসু?
রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হিসাবে বালিগঞ্জের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করেছিলের তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু ওই প্রস্তাব কার্যকর করেননি। তিনি বিদ্রোহী তৃণমূল বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসাবে নির্বাচিত করেন। স্পিকারের ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা করেন শোভনদেব। বুধবার ওই মামলার শুনানি শেষ হয়েছে। আজ রায় ঘোষণা হল হাই কোর্ট।
তৃণমূল থেকে বহিষ্কার করার পরেও কী ভাবে বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসাবে বেছে নিলেন স্পিকার রথীন্দ্র বসু? বিধানসভার মামলায় প্রশ্ন তুলল কলকাতা হাই কোর্ট। কেন তৃণমূলের তরফ থেকে আসা প্রথম চিঠিকে গুরুত্ব দেওয়া হল না এবং কেন দ্বিতীয় চিঠিটি গ্রহণ করে নেওয়া হল, সেই প্রশ্নও তুলেছেন বিচারপতি কৃষ্ণ রাও। ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা করার স্পিকারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বালিগঞ্জের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। বুধবার সেই মামলার শুনানি শেষ হয়েছে। রায়দান আপাতত স্থগিত রেখেছে আদালত। বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণা করা হতে পারে।
বিধানসভা নির্বাচনে এ বার ৮০টি আসনে জয় পেয়েছে তৃণমূল। সেই হিসাবে তারাই রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল। দলের চেয়ারপার্সন হিসাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধী দলনেতা হিসাবে নির্বাচিত করেছিলেন শোভনদেবকে। সে কথা স্পিকারকে জানিয়ে গত ৯ মে একটি চিঠি দেওয়া হয় তৃণমূলের তরফে। অভিযোগ, তার ভিত্তিতে স্পিকার কোনও পদক্ষেপই করেননি। পরে ওই চিঠিতে বিধায়কদের সই জাল করার অভিযোগ ওঠে। দলবিরোধী কাজের জন্য ১ জুন বহিষ্কার করা হয় ঋতব্রত এবং এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহাকে। এর পর ৩ জুন বহিষ্কৃত সেই ঋতব্রতকেই বিরোধী দলনেতা বেছে তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ বিধায়কেরা স্পিকারকে আর একটি চিঠি দেন। স্পিকার সেই চিঠির ভিত্তিতে পদক্ষেপ করেন এবং ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা ঘোষণা করেন। এই প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন শোভনদেব।
Kolkata,West Bengal
Jun 18, 2026 10:40 AM IST
