Last Updated:
তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন কমিটি ও সংস্থা এবং পশ্চিমবঙ্গ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন শিল্প সংক্রান্ত নানা বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এই নিয়ে News18 বাংলার সঙ্গে কথা বললেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়৷
কলকাতা: টলিপাড়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে উপদেষ্টা কমিটি গঠন। পশ্চিমবঙ্গের চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন শিল্পের বিভিন্ন সমস্যা এবং তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের অধীনস্থ বিভিন্ন সংস্থার কার্যক্রম নিয়ে গত ৮ জুন নবান্নে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়। বৈঠকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ বিষয় ছিল পশ্চিমবঙ্গের চলচ্চিত্র শিল্প এবং ফেডারেশন ও বিভিন্ন গিল্ডের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা। সেখানে বলা হয়েছে, ফেডারেশনকে আরও পেশাদার এবং স্বচ্ছ পদ্ধতিতে পরিচালনা করা না গেলে শিল্পের আর্থিক ক্ষতি হতে পারে, যার সরাসরি প্রভাব পড়বে কর্মসংস্থানের উপর।
বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠনের ভাবনাও উঠে এসেছে। সম্ভাব্য সদস্যদের তালিকায় রয়েছেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, যীশু সেনগুপ্ত, সাংসদ তথা অভিনেতা দেব, প্রযোজক মহেন্দ্র সোনি, পরিচালক কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়, সৃজিত মুখোপাধ্যায়, সানি ঘোষ রায়, প্রবীণ প্রোডাকশন ম্যানেজার জয়ন্ত কুণ্ডু-সহ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন জগতের একাধিক পরিচিত মুখ। পাশাপাশি চার বিধায়ক এবং তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের শীর্ষ আধিকারিকদেরও এই কমিটিতে রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
এই নিয়ে টেলিফোনে কথা হয় রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে৷ তিনি বলেন যে, “ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিটা, ইনফরমেশন কালচারের টলিগঞ্জ থেকে তো একমাত্র একটা জায়গা নয়। এতে অনেক শাখা রয়েছে। সারা পশ্চিমবঙ্গ থেকে মানুষ এই ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত আছেন। তার সঙ্গে থিয়েটার রয়েছে। এতগুলো অ্যাকাডেমি আছে। এতগুলো ইনস্টিটিউশন রয়েছে। এতগুলো অডিটোরিয়াম আছে , ফলে এটা বিশাল একটা পরিধি। এটার জন্য বড় টিম দরকার৷ সরকার গঠনের সঙ্গে সঙ্গে বেশিরভাগ লোক পদত্যাগ করে দিয়েছেন। এবার বিশেষ বিশেষ কমিটিতে বিশেষ বিশেষ লোকদেরকে ঢোকানো হবে নতুন নতুন করে কমিটি তৈরি হবে। যেরমভাবে ফেডারেশন ছিল তেমন ফেডারেশনই থাকবে। তবে কীভাবে তা গঠন হবে সেটা এই কমিটির সদস্যরা বসে সকলে মিলে মতামতি ঠিক করবে”।
তিনি আরও বলেন যে, “ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার ভারতবর্ষে প্রতিটি মানুষের আছে। সেই ট্রেড ইউনিয়ন ইচ্ছে করলেই ভাঙা যাবে। ফলে এখানেও কমিটি তৈরি হবে যে কমিটিগুলো পুরো ইন্ডাস্ট্রিটা ওয়েস্ট বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রি বলে পরিচিত হবে”। এই নিয়ে রূপা গঙ্গোপাধ্যায় বলেছেন যে টলিউড শব্দটা নিয়েই তিনি ঘোর বিরোধী৷ হলিউড, বলিউডের সঙ্গে মিলিয়ে টলিউড বলা হয়। এসব শব্দের কোনও মূল্য নেই। এটাকে ওয়েস্ট বেঙ্গল ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি বললে ভাল হয়। কারণে এখানে গোটা বাংলার মানুষ যুক্ত রয়েছেন৷ টলিগঞ্জে যারা কাজ করেন তারা শুধু টলিগঞ্জের নন। জেলা থেকে আসেন। ফলে এই কমিটির নেতৃত্বে মিটিং হবে এবং সেটার সিদ্ধান্ত সবাই মিলে একত্রিত নিতে হবে।
Kolkata,West Bengal
