Last Updated:
২১ জুলাইয়ের সমাবেশের প্রস্তুতি মঞ্চ থেকেই মমতার বক্তব্য, ‘যাঁদের শুভবুদ্ধি আছে তাঁরা ফিরে আসুন। মনে রাখবেন যাঁরা গিয়েছেন তাঁরা না ঘরকা-না ঘাটকা। টাকার লোভে আমরা দল বিক্রি করে দিতে পারব না।’
কলকাতা: প্রতি বছর এই সময় থেকে শুরু হয়ে যায় কর্মব্যস্ততা৷ দলের অন্দরে শুরু হয় তোড়জোড়৷ এবার সব চুপ৷ বৃহস্পতিবার উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তথা বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষের উদ্যোগে জেলার কর্মীদের নিয়ে প্রস্তুতি সভার আয়োজন করা হয় রামমোহন হলে। সেই কর্মিসভা থেকেই ফোনে কর্মীদের উদ্দেশে বার্তা পাঠান মমতা। বললেন, ‘৫ জন লোক হলেও ধর্মতলায় যাব।’ গত ১৫ বছরে, কোভিড কাল বাদ দিলে বাকি বছরগুলোতে ২১শে জুলাই নিয়ে বিরাট কর্মব্যস্ততা চলত তৃণমূলের অন্দরে। ক্ষমতায় নেই এখন দল। দলের অভ্যন্তরে ছন্নছাড়া অবস্থা। সাংসদ-বিধায়করা বিদ্রোহ ঘোষণা করছেন। এই অবস্থায় ২১শে জুলাই পালন নিয়ে কিছুটা হলেও অস্বস্তিতে তৃণমূল কংগ্রেস।
‘আমরা বেইমান নই’ ব্যানারে আয়োজন করা কর্মিসভা থেকে ফোনো বার্তায় মমতা বলেন, ‘শহিদ স্মরণ কর্মসূচি বছর বছর ধর্মতলাতেই করে এসেছে তৃণমূল। এবারও পুলিশের অনুমতি পেলে সেখানেই সেই কর্মসূচি হবে। ৫ জন কর্মী থাকলেও মিটিংয়ে যাব।’ টেলিফোনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “দলের কর্মীদের উপর অত্যাচার করছে বিজেপি। তার বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধভাবে একমাত্র লড়তে পারে তৃণমূল কংগ্রেস। কর্মীরা যাদের হয়ে লড়াই করে জেতালো, তারা নিজেদের সম্পত্তি বাঁচাতে নাম লেখাচ্ছেন যাদের সঙ্গে লড়াই হল, তাদের দলেই। যাঁরা যেতে চান যান। সিপিএম থেকে আসা একজন নেতাকে সামনে রেখে দলের সঙ্গে বেইমানি করলেন, তাঁদের ক্ষমা নয়।”
এদিকে কুণাল অভিযোগ করেন, তৃণমূল কংগ্রেসকে বিরক্ত করার জন্যই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতার পদে বসিয়েছেন অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বসু৷ তিনি যা যা অভিযোগ করছেন, তার পরিপ্রেক্ষিতে মানহানি মামলা করার জন্যও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক৷
Kolkata [Calcutta],Kolkata,West Bengal
