Last Updated:
বিজেপির ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ অনুষ্ঠানে উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, সাংসদ রাহুল সিনহা-সহ অন্যান্য বিশিষ্ট জনেরা। বৃহস্পতিবারের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর মুখে উঠে এল তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধির পরাজয়ের প্রসঙ্গ। বললেন, ‘যারাই গণতন্ত্রের বিপরীতে হেঁটেছে, তারা কেউ গণতন্ত্রে বেশি দিন টিকে থাকতে পারেনি।’
ভেঙ্কটেশ্বর লাহিড়ী, কলকাতা: ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ পালন বিজেপির। রথীন্দ্র মঞ্চ। জোড়াসাঁকো। ২৫ জুন, ১৯৭৫ ৷ এই দিনে ভারতীয় রাজনীতি এবং গণতন্ত্রের ইতিহাসে ‘জরুরি অবস্থা’র দিন হিসেবেই স্মরণ করে বিজেপি। সেই উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয় বৃহস্পতিবার। ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচাৰ্য-সহ অন্যান্যরা। ‘জরুরি অবস্থা’র সময় যারা জেলে গিয়েছিলেন, তাঁরাও রয়েছেন কয়েকজন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে মঞ্চে।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘আমি নয়, আমরা নীতি নিয়ে চলতে হবে ৷ দেশ সবার আগে ৷ যারাই গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে, তারা বেশিদিন গণতন্ত্রে টিকতে পারেনি। ইন্দিরা গান্ধি থেকে গত ১৫ বছরে যিনি আমিত্বে, অহংবোধে ছিলেন তাদের পরিণতি আপনারা দেখেছেন। আপনারা শুভেন্দু অধিকারীর উপর ভরসা করতে পারেন। আমরা নিষ্ঠার সঙ্গে সত্যাগ্রহীদের সাম্মানিক দিয়েছি। অগাস্টের প্রথম সপ্তাহে সচিবালয়ের সভাঘরে আপনাদের ডাকব। আপনাদের ফুল আর স্মারক দিয়ে সম্মান জানাতে চাই। সব দম্ভ, মানবতাবিরোধী কাজ থেকে দূরে থাকতে হবে। আমি নয় আমরা নীতিতে চলতে হবে।’’

তিনি আরও বলেন, ‘‘আমি কমিউনিস্টদের অত্যাচার দেখেছি। লড়াই করেছি। পরবর্তী সময় তোষণ দেখেছি। বাংলাকে দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা দেখেছি। যারা গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে, তারা কেউ গণতন্ত্রে বেশিদিন টিকে থাকতে পারেনি ৷ ইন্দিরা গান্ধিকে সরে যেতে হয়েছে ৷ বাংলাতেও তাই হয়েছে। মানুষের যে ভরসা আমাদের উপর এসেছে সেই ভরসাকে দায়িত্বে পরিণত করার দায়িত্ব পেয়েছি ৷ আমাদের বক্তব্য, ‘নেশন ফার্স্ট’ ৷ অগাস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহে সচিবালয়ে আপনাদের ডাকব। আপনারা দয়া করে আসবেন। আপনাদের ফুল দিয়ে সম্মান জানাবো। পশ্চিমবঙ্গ সরকার আপনাদের সম্মান জানাতে চায় ৷’’
Kolkata,West Bengal
