কলকাতা: পেরিয়ে গিয়েছে ২৬ বছর! ২৬ বছর আগে, বাংলা ছবিতে বিনিয়োগ করেছিলেন, অনুপম খের (Anupam Kher)। সেই সিনেমার পরিচালনা করেছিলেন ঋতুপর্ণ ঘোষ (Rituparno Ghosh), মুখ্যভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন, কিরণ খের (Kirron Kher) এবং চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তী (Chiranjeet Chakraborty)। সেই সিনেমার প্রযোজনার দায়িত্বে ছিলেন, অনুপম খের। আর এবার, ২৬ বছর পরে ফের নতুন সিনেমা প্রযোজনা করছেন তিনি। ফিরদৌসুল হাসানের সঙ্গে যৌথভাবে একটি সিনেমা প্রযোজনা করছেন তিনি। ছবির নাম, ‘শুরু থেকে শুরু’। এই সিনেমার মুখ্যভূমিকায় রয়েছেন, টোটা রায়চৌধুরী (Tota Roychowdhury), পাওলি দাম (Paoli Dam) ও রাহুল বসু (Rahul Basu)। ছবিটির পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন শমীক বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই মুম্বইয়ে বিজ্ঞাপনের জগতে কাজ করে ফেলেছেন শমীক। এবার ছবি পরিচালনার কাজে হাত দিচ্ছেন শমীক। আর সেই ছবিরই প্রযোজনা করছেন অনুপম খের, সেই সিনেমাটা তাঁর কাছে বিশেষ হয়েই থেকে যাবে।
২৬ বছর পরে বাংলায়, কী বললেন অনুপম খের?
এদিন কলকাতা এসে, ময়দানে PWD টেন্টে এসে অভিনেতা প্রযোজক অনুপম খের দেখা করলেন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) সঙ্গে। আনুষ্ঠানিকভাবে রাজ্য সরকারকে একথা জানিয়েছেন অনুপম খের, পশ্চিমবঙ্গে অ্যাকটিং স্কুলও তৈরি করতে চান বলে শুভেন্দু অধিকারীকে জানিয়েছেন অনুপম খের। এদিন অভিনেতা, প্রযোজক বলেন, ‘অনুপম খের স্টুডিও, আমাদের কোম্পানি ২৬ বছর পরে কোনও বাংলা তৈরি করতে যাচ্ছে, ফিরদৌসুল হাসানের সঙ্গে যৌথভাবে। সেই কথাই মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে এসেছিলাম। ২৬ বছর আগে, ঋতুপর্ণ ঘোষের সিনেমা ‘বাড়িওয়ালি’ বানিয়েছিলাম। তারপরে এই সিনেমাটা, ‘শুরু থেকে শুরু’। আমি এখানে অভিনয়ের স্কুলও তৈরি করতে চাই। মুখ্যমন্ত্রী আমায় শুভকামনা জানিয়েছেন। উনি যে যে বদল বাংলায় আনতে চান, সেগুলি ভীষণ ভাল। বাংলাকে উনি প্রগতির দিকে নিয়ে যেতে চান। আমি বিশ্বাস করি, এটা সম্ভব। আমাদের সিনেমার নাম, ‘শুরু থেকে শুরু।’ আমি মুখ্যমন্ত্রীকেও সেটাই বললাম যে, ‘আপনিও শুরু থেকেই শুরু করুন। আমাদের কাজেও আপনার সাহায্য চাই।’
রাজনৈতিক প্রসঙ্গে চিরকালই স্পষ্টবক্তা অনুপম খের
চিরকালই রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে নিজের মন্তব্য স্পষ্টভাবেই জানিয়ে এসেছেন অনুপম খের। সদ্যই পহেলগাঁও-এর ঘটনা নিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘পহেলগাঁও-তে হিন্দুদের যেভাবে গণহত্যা করা হয়েছে, ২৭ জন হিন্দুকে বেছে বেছে খুন করা হয়েছে, তাতে মনখারাপ তো বটেই, কিন্তু ক্রোধ আর ক্ষোভের কোনও সীমা পরিসীমা নেই। জীবনে অনেক কিছু এমন দেখেছি। কাশ্মিরী হিন্দুদের সঙ্গে কাশ্মীরে এটাই হয়। ‘কাশ্মীর ফাইলস’ ছবিটাও এই সমস্ত ঘটনার একটা হালকা আঁচকে নিয়েই তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সেই সময়ে অনেকেই ছবিটাকে প্রচারমূলক বলে নিন্দা করেছিলেন। কিন্তু এখন, ভারতের বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা যে সমস্ত মানুষেরা কাশ্মীরে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন, তাঁদের ধর্ম বেছে বেছে তাঁদের মারা.. আমার বর্ণনা করার ভাষা নেই। মাঝে মাঝে পরিস্থিতি বর্ণনা করতে ভাষাও কম পড়ে। যা অনুভূতিতে আসে, তা মুখে কখনও বলা যায় না।’
Jisshu Sengupta: যাদের যাদের যা যা বলার, ভালো-মন্দ বা অভিমানের কথা, বলে ফেলা খুব জরুরি