Last Updated:
Ram Mandir Temple Trust Theft: অযোধ্যা রামমন্দিরে অনুদান তছরুপ মামলায় SIT-এর তল্লাশি, ডিজিটাল প্রমাণ মুছে ফেলার মারাত্মক অভিযোগ সামনে।
অযোধ্য: অযোধ্যার রামমন্দিরে ভক্তদের দেওয়া অনুদান তছরুপের অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তরা তদন্তের প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT)-এর তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই নতুন তথ্য সামনে আসছে। এনডিটিভির প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, অভিযুক্তদের কয়েকজন নিজেদের মোবাইল ফোন থেকে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট এবং অন্যান্য ডিজিটাল তথ্য মুছে ফেলেছেন। এমনকি কেউ কেউ সম্পূর্ণ মোবাইল ফোন ফরম্যাট করে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করেছেন বলেও অভিযোগ।
একযোগে পুলিশের তল্লাশিতে নয়া তথ্য
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার একযোগে আট অভিযুক্তের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। স্থানীয় ম্যাজিস্ট্রেটদের উপস্থিতিতে লাভকুশ মিশ্র, অবিনাশ শুক্লা এবং রামাশঙ্কর যাদব-সহ সকল অভিযুক্তের বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ।
দুই দিন আগে অযোধ্যার একটি আদালত আট অভিযুক্তকে ২৯ জুন পর্যন্ত বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়েছে। সোমবার আদালতে তোলা হলে তাঁদের পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানাতে পারে তদন্তকারী সংস্থা। অনুদানের অর্থ কোথায় এবং কীভাবে সরানো হয়েছে, সেই অর্থের গতিপথ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। মন্দিরের কর্মী এবং স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার কয়েকজন কর্মীর বিরুদ্ধে ভক্তদের অনুদান আত্মসাতের অভিযোগ ঘিরে এই বিতর্ক রাজনৈতিক মাত্রাও পেয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিজেপি ও বিরোধী দলগুলির মধ্যে চাপানউতোর শুরু হয়েছে।
প্রণামী বাবদ যে টাকা জমা পড়ে, তা ব্যাঙ্কে জমা করেন রাম মন্দির কর্তৃপক্ষ। কিন্তু ব্যাঙ্কে জমা পড়া টাকার হিসেব খতিয়ে দেখতে গিয়েই সম্প্রতি তাদের সন্দেহ হয়। সেই সন্দেহের বশেই দৈনিক প্রণামী বাক্স খালি করে জমা পড়া টাকা সংগ্রহের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হয়। তখনই টাকা সংগ্রহের সময় বেশ কিছু গরমিল ধরা পড়ে। সাধারণত এক একটি প্রণামী বাক্সে ৬ থেকে ৭ লক্ষ টাকা জমা পড়ে৷ কিন্তু পর পর কয়েকটি সপ্তাহে ৫০০ টাকার নোটের বান্ডিলের হিসেব মিলছিল না৷
এদিকে, বিতর্কের ‘নৈতিক দায়’ স্বীকার করে শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট-এর সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই এবং ট্রাস্টি অনিল মিশ্র পদত্যাগ করেছেন। ২৫ জুন ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS)-এর অধীনে এফআইআর দায়ের হওয়ার পরই তাঁরা এই সিদ্ধান্ত নেন। ইতিমধ্যে অভিযুক্তদের কাছ থেকে মোট ৭৯.৮৫ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছে তদন্তকারী সংস্থা।
Kolkata,West Bengal
