Last Updated:
দিল্লিতে গিয়ে নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারে নেতৃত্বাধীন ফুল বেঞ্চের সামনে নিজেদের দাবিদাওয়া তুলে ধরে ঋতব্রতপন্থী তৃণমূল৷
তাঁদের বক্তব্য ধৈর্য ধরে শুনেছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমার সহ নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ৷ খুব শিগগিরই কমিশনের সিদ্ধান্ত তাঁদের জানানো হবে বলেও মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক তাঁদের জানিয়েছেন বলে দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়৷
যদিও এ দিনের বৈঠককে সম্পূর্ণ অবৈধ বলে অভিযোগ করেছেন কালীঘাট তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ৷ তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ শিবিরকে সময় দেওয়ার জন্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি৷
তৃণমূলের নাম, প্রতীক এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের দখল নিতে তৎপর হয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবির৷ এ দিন দিল্লিতে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূলের দশ জন বিক্ষুব্ধ বিধায়ক নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন৷ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, গত ২২ জুন কলকাতায় বৈঠক করে জাতীয় কর্মসমিতি তৈরি করেন তাঁরা৷ ২৩ তারিখই নিয়ম মেনে সেকথা জানানো হয় নির্বাচন কমিশনকে৷ সেদিনই কমিশনের কাছে সময় চেয়েছিলেন তাঁরা৷ এ দিন সেই সময় দেয় নির্বাচন কমিশন৷
কমিশনের সঙ্গে সাক্ষাতের পর ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারপার্সন অরূপ রায়ের নেতৃত্বে আমরা এসেছিলাম৷ লম্বা সময় ধরে ওনারা আমাদের বক্তব্য শুনেছেন৷ জ্ঞানেশ কুমার আমাদের জানিয়েছেন, সব নথি দেখে খুব শিগগিরই আমাদের সিদ্ধান্ত জানানো হবে৷ নিয়ম মেনে আমরা যা যা জানাবার জানিয়েছি৷ অনেকে আসলে মনে করছেন যে, মগের মুলুকটা চলছে। তাই যা খুশি বলা যায়, আমরা যা খুশি করিনি। দেশের যে আইন কানুন আছে, সাংবিধানিক সংস্থান আছে, সবকিছু মেনে, যেভাবে নির্বাচন কমিশনকে জানাতে হয়, তেইশ তারিখই জানিয়েছিলাম।’
কমিশনের সঙ্গে ঋতব্রত শিবিরের সাক্ষাৎ নিয়ে পাল্টা কুণাল ঘোষ বলেন, ‘বাড়িওয়ালার অনুমতিক্রমে ভাড়াটিয়া থাকে। ভাড়াটিয়া তো আর আসল বাড়িওয়ালা নন। যে ১০ জন গিয়েছেন, তাঁদের বলার সুযোগ তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করে দিয়েছেন। আসলে এই সব ভাড়াটিয়ার পিছনে পাড়ার কোনও দাদা আছে। যে বলছে গিয়ে দখল করে নে। এখন এটাই চলছে। বিজেপির মদতপুষ্ট জ্ঞানেশ কুমার, অশুভ শক্তি হিসেবে এই বৈঠক করছেন। কেন্দ্রের শাসক দলের হয়ে আমাদের ডিস্টার্ব করছেন জ্ঞানেশ কুমার।’
Kolkata,West Bengal
