Last Updated:
TMC: আজ নির্বাচন কমিশনের সামনে তৃণমূল কংগ্রেসের এক্সিট পোল! চরম ‘অ্যাসিড টেস্টে’ কার হাতে কী কী নথি? কে এগিয়ে কে পিছিয়ে?
কলকাতা: কে আসল তৃণমূল? প্রতীক ও তহবিল যাবে কার দখলে? আজ নির্বাচন কমিশনে ‘ঋতব্রত তৃণমূল’ ও ‘কালীঘাট তৃণমূল’ দু’পক্ষই। উভয় পক্ষ আজ কোন কোন ইস্যুতে জোর দিতে পারেন? দেখে নেওয়া যাক একনজরে কার আস্তিনে কী ‘শক্তি’ আছে?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পন্থী কী কী যুক্তি?
১) বিধানসভা ভোটের প্রার্থী ঘোষণার পরে। সেই সব প্রার্থীদের দলের মনোনয়নে সই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ২) ২০১২-২০১৭-২০২২ জাতীয় কর্মসমিতি বৈঠক হয়। যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চেয়ারপার্সন করা হয়। সেই নির্বাচনে যারা নিজেদের আসল তৃণমূল কংগ্রেস দাবি করছে তাঁরাও সম্মতি জানিয়েছিলেন। ৩) দলের হেডকোয়ার্টার কালীঘাট। দল প্রতিষ্ঠা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ৪) কমিশনকে জানানো হবে দলের সংবিধানেই চেয়ারপার্সন স্থির করেন সকলে মিলে। ৫) যাঁরা পরিষদীয় বিদ্রোহী ব্লক গঠন করেছে সেই দুই নেতাই দল থেকে বহিষ্কার। ৬) দলের সাংসদদের মনোনয়ন মমতা-অভিষেক দিয়েছেন। যা কমিশনের কাছে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছিল। ৭) দল তৈরির ইতিহাস, দলের ব্যাকগ্রাউন্ড সব জমা দেওয়া হচ্ছে। সূত্রের খবর এক্ষেত্রে একাধিক ছবি ও বিদ্রোহী ব্লকের নেতাদের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে নানা সময়ে সমর্থন জানানো বক্তব্যের প্রমাণ দেওয়া হচ্ছে।
১) কোনও সংবিধান নেই। বিভিন্ন সময়ে সুবিধা মতো বদলে নেওয়া হয়েছে। ২) দলের চেয়ারপার্সন স্থির করার ভোট হত না। মনোনীত করে নেওয়া হত। ৩) যাদের জাতীয় কর্মসমিতিতে দায়িত্বে দেওয়া হল তারা নিজেরাই দায়িত্ব ছেড়ে বেরিয়ে এসেছেন। ৪) জেলা পরিষদ, পুরসভা, বিধানসভায় অনাস্থা দেখাচ্ছেন। প্রয়োজনে পরিষদীয় ক্ষেত্রে সংখ্যাতত্ত্বের প্রমাণ দিয়ে দেবে বিদ্রোহী ব্লক। ৫) যারা সই করার অধিকারী ছিলেন তারাই দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছেন। ৬) সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য চেয়ারপারসনকে মানতে রাজি নন। ৭) যাকে রাজ্য সভাপতি করা হয়েছিল তিনি বেরিয়ে এসেছেন অনাস্থা প্রকাশ করে ৮) নির্বাচন কমিশনের কাছে কালীঘাট পন্থী তৃণমূলের হয়ে কমিউনিকেটর ছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তিনিই অনাস্থা প্রকাশ করে বেরিয়ে এলেন। ৯) ২০২৫ সালে একবার জাতীয় কর্মসমিতির তালিকা পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু সেই তালিকা সকলের সহমতি নিয়ে মিটিং করে গঠন হয়নি। ১০) দলের শীর্ষ স্তরের নেতার দূর্নীতির দায় বাকিদের ঘাড়ে এসেছে। তারা এই দায় নিয়ে কেন থাকবে? ২ জুলাই আইনত নানা পদ্ধতি উল্লেখ করে জমা দেওয়া আছে। এবার বাকি অংশ চিঠিতে মনে করাচ্ছে ইসি। বর্তমান পরিস্থিতির ব্যাখ্যা দিয়ে
Jul 06, 2026 11:24 AM IST
