Last Updated:
Crab Farming: বাংলায় কাঁকড়া চাষকে আরও লাভজনক করতে অভিনব উদ্যোগ নিল কাকদ্বীপের কেন্দ্রীয় নোনা জলজীব পালন অনুসন্ধান সংস্থা। খাঁচা বা বক্সে প্রচলিত চাষের সমস্যা মিটিয়ে এবার ল্যাবরেটরিতেই তৈরি হচ্ছে কাঁকড়ার বীজ ও বাণিজ্যিক খাবার, যা উপকূলবর্তী এলাকার অর্থনীতি বদলে দিতে পারে।
কাকদ্বীপ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নবাব মল্লিক: কাঁকড়ার বীজ তৈরি করে কাঁকড়া চাষকে পরবর্তী পর্যায়ে নিয়ে যেতে কাকদ্বীপে চলছে গবেষণা। এখনও পর্যন্ত কাঁকড়ার জন্য বাজারে কোনও খাবার পাওয়া যায় না। সেই খাবার নিয়েও গবেষণা চালাচ্ছে কাকদ্বীপের কেন্দ্রীয় নোনা জলজীব পালন অনুসন্ধান সংস্থা।
এ নিয়ে আইসিএআর-সিবার কাকদ্বীপ গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান ডঃ দেবাশীষ দে জানিয়েছেন, “আমাদের রাজ্যে এখনও কাঁকড়া অরগানাইজড ওয়েতে চাষ হয় না। এখানে অরেঞ্জ ক্রাবকে অরগানাইজড ওয়েতে চাষ করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। বর্তমানে আমাদের রাজ্যে যা হয়, সাধারণত চাষিরা প্রাকৃতিক পরিবেশ থেকে কাঁকড়া ধরে আনে। চাষিরা কাঁকড়া নিয়ে একমাস খাবার খাওয়ায় তারপর গোনাড ডেভেলপ হলে বিক্রি করে। কিন্তু কাকদ্বীপ গবেষণা কেন্দ্রে কাঁকড়ার বীজ তৈরি করা হলে বীজ পাওয়া যাবে। সেই সঙ্গে খাবার পাওয়া যাবে। ফলে মাছের মতো চাষ করা যাবে। কাঁকড়া নিয়ে এই কাজ শেষ হলে অদূর ভবিষ্যতে কাঁকড়ার সমস্যা মিটবে।”
উপকূলীয় লবণাক্ত এলাকায় কাঁকড়া চাষ একটি অত্যন্ত লাভজনক ও সম্ভাবনাময় পেশা। এই চাষের জন্য বর্তমানে বাঁশের ঘের বা খাঁচায় ছোট কাঁকড়াগুলোকে ২-৪ সপ্তাহ রেখে মোটাতাজা করা হয় এবং খোলস ছাড়ানোর জন্য আধুনিক বাক্সে আলাদা করে পরিচর্যা করা হয়। কাঁকড়া চাষের জন্য দোঁ-আশ বা পলি দোঁ-আশ মাটির জলাশয় নির্বাচন করতে হবে। কাঁকড়া যাতে গর্ত করে বা বেয়ে পালিয়ে যেতে না পারে, তার জন্য ঘেরের চারপাশে অন্তত ১.৫ মিটার উঁচু বাঁশের নেট মজবুত করে পুঁতে দিতে হবে।
South Twenty Four Parganas,West Bengal