Last Updated:
US-Iran War News Updates: মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক জলপথ দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলির ওপর ইরানের হামলার জবাব হিসেবেই এই ‘শক্তিশালী’ সামরিক অভিযান চালানো হয়েছে এবং বাণিজ্যিক জাহাজকে লক্ষ্য করে হামলার জন্য ইরানকে ‘চড়া মূল্য’ দিতে হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
ইরানের ৮০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে নতুন করে সামরিক হামলা চালানোর পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাত আরও বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। এর জবাবে বাহরিন ও কুয়েতে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলিতে হামলা চালানোর দাবি করেছে তেহরান। ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি ‘শেষ’ ঘোষণা করার পরেই অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়ল ৬%, সেনসেক্স কমল ১৮০০ পয়েন্ট! মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM)-এর দাবি, মঙ্গলবার হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়া তিনটি বেসামরিক ক্রু-সহ বাণিজ্যিক জাহাজে কথিত ইরানি হামলার জবাব হিসেবেই এই সামরিক অভিযান শুরু হয়। যদিও ওই হামলার দায় ইরান স্বীকারও করেনি, অস্বীকারও করেনি।
১৯ জুন স্বাক্ষরিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তির মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই এই নতুন সংঘাতের সূত্রপাত হয়েছে। সেন্টকম জানিয়েছে, ইরানের ৮০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে। এর মধ্যে ছিল ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, কমান্ড ও কন্ট্রোল নেটওয়ার্ক, উপকূলীয় রাডার কেন্দ্র এবং জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাও। পাশাপাশি, কৌশলগত হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজকে লক্ষ্য করার সক্ষমতা দুর্বল করতে আইআরজিসির (IRGC) ৬০টিরও বেশি ছোট নৌযান ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করেছে মার্কিন সেনাবাহিনী। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, বান্দার আব্বাস, সিরিক বন্দর, কেশম দ্বীপ এবং খার্গ দ্বীপে একাধিক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সম্প্রচার সংস্থা আইআরআইবি (IRIB)-এর দাবি, অধিকাংশ হামলাই বেসামরিক এলাকায় হয়েছে এবং সিরিকের বাণিজ্যিক জেটিতে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ে কয়েকজন আহত হয়েছেন। ইরানের খাতাম-আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স এই হামলাকে ‘প্রকাশ্য আগ্রাসন’ বলে নিন্দা জানিয়ে ‘কঠোর জবাব’-এর হুঁশিয়ারি দিয়েছে। একই সঙ্গে তারা জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালীতে কোনও বিদেশি হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না এবং বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাঙ্কারের নিরাপদ চলাচলের একমাত্র পথ ইরান নির্ধারিত রুটই। আইআরজিসির দাবি, তাদের নৌ ও মহাকাশ বাহিনী যৌথভাবে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে মার্কিন সামরিক স্থাপনার সঙ্গে যুক্ত ৮৫টি লক্ষ্যবস্তুকে নিশানা করেছে।
এর মধ্যে বাহরিনে মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দফতর এবং কুয়েতের আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটিও রয়েছে। আইআরজিসির দাবি, হরমোজগান ও মাহশাহরের উপকূলীয় ঘাঁটি এবং অসামরিক এলাকায় মার্কিন হামলার জবাব হিসেবেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। এরই মধ্যে প্রাক্তন ইরানি সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই-এর শেষকৃত্যের অনুষ্ঠান চলতে থাকায়, আইআরজিসি অভিযোগ করেছে যে এই অনুষ্ঠান থেকে আন্তর্জাতিক নজর ঘোরাতেই ওয়াশিংটন এই হামলা চালিয়েছে। পরিস্থিতির সর্বশেষ আপডেটের জন্য আমাদের সঙ্গে থাকুন।
Kolkata [Calcutta],Kolkata,West Bengal
