জলপাইগুড়ি : তৃণমূল জমানায় পর্যটন দফতরেও চলত থ্রেট কালচার, শঙ্কর ঘোষের দ্বারস্থ হন এক তরুণী। পর্যটনমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি। তরুণীর দাবি জানিয়েছে বলেন, থ্রেট কালচারের প্রতিবাদ করায় মাইনে বন্ধ করে দেওয়া হয়। অভিযোগ পেতেই তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন শঙ্কর ঘোষ।
২০২০ সালে বাবার চাকরি পান জলপাইগুড়ির বাসিন্দা অর্পিতা দাস। তিনি অভিযোগ জানিয়েছেন, ‘প্রথমে পোস্টিং মালবাজার, পরে জলদাপাড়ায় ট্রান্সফার করা হয়। প্রতিবাদ করায় মানসিক অত্যাচার, কোণঠাসা করে দেওয়া হয়েছিল। দুর্নীতি, সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সরব হতেই কলকাতায় বদলি করা হয়। এবং কলকাতায় কাজে যোগ না দেওয়ায় বেতন বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে জলদাপাড়ায় গিয়ে দুর্নীতির অভিযোগে সরব হন ওই তরুণী। ‘বিভাগীয় তদন্ত করা হবে’, আশ্বাস পর্যটনমন্ত্রী শঙ্কর ঘোষের।