প্রসঙ্গত, এই বিক্ষোভের মধ্যেই ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র প্রতিনিধিরা সোমবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডার সঙ্গে দেখা করে তাদের দাবি-সংবলিত একটি চিঠি জমা দিয়েছেন।
এক্স-এ (X) করা এক পোস্টে সিজেপি-র মুখপাত্র সৌরভ দাস দাবি করেন, তিনি এবং আশুতোষ রাঙ্কা দুই ঘণ্টারও বেশি সময় অপেক্ষা করার পর নাড্ডার সঙ্গে ১০ মিনিটের একটি বৈঠক করেন। তাঁর দাবি, ওই বৈঠকে দলের দাবিগুলি লিখিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
সৌরভ দাস এক্স-এ লেখেন, “দুই ঘণ্টারও বেশি অপেক্ষা করার পর আশুতোষ এবং আমি আজ জে.পি. নাড্ডাজির বাসভবনে ১০ মিনিটের জন্য তাঁর সঙ্গে দেখা করেছি। আমরা আমাদের দাবিগুলি-সহ একটি লিখিত চিঠি জমা দিয়েছি। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন যে বিষয়টি নিয়ে তিনি অভ্যন্তরীণভাবে আলোচনা করবেন। সেই প্রক্রিয়া চলছে। এদিকে গণহারে আটক করার খবরও পাওয়া যাচ্ছে।”
রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খড়্গে বলেন, “সরকার শিক্ষার্থীদের প্রতি সংবেদনশীল নয়… যদি আপনারা পরীক্ষা পরিচালনা করতে না জানেন, তাহলে এই দায়িত্ব অন্য কাউকে দিয়ে দিন। আজ যদি শিক্ষার্থীদের উপর লাঠিচার্জ হয়ে থাকে, তাহলে তা গণতন্ত্রের উপর আক্রমণ… চাঁদা চুরির বিষয়টিও আমাদের ইস্যু। কোটি কোটি টাকা লুট করা হচ্ছে… প্রধানমন্ত্রী মোদির এর দায়িত্ব নেওয়া উচিত।”
সোমবার ককরোচ জনতা পার্টি (CJP) দাবি করেছে, কোনও রোগী বা জরুরি পরিস্থিতি ছাড়াই একটি অ্যাম্বুল্যান্স জন্তর মন্তরে পাঠানো হয়েছিল, যা বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতি তৈরি করতে পারত।
এক্স-এ (X) করা এক পোস্টে সিজেপি লিখেছে, “কোনও রোগী ছাড়াই এবং কোনও জরুরি পরিষেবায় না গিয়েও একটি অ্যাম্বুল্যান্স জন্তর মন্তরে পাঠানো হয়েছিল, যা প্রায় পদপিষ্ট হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি করেছিল।”
আরও বলা হয়েছে, “শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা তৈরির জন্য সরকার যে কতটা নিচে নামতে পারে, এটি তারই প্রমাণ। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকারীদের দেখে তারা এত ভয় পাচ্ছে কেন?”
দিল্লি হাই কোর্ট সোমবার জন্তর মন্তরের বিক্ষোভস্থল থেকে আন্দোলনকারী সোনম ওয়াংচুককে সফদরজং হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলার (PIL) জরুরি শুনানির আবেদন খারিজ করে দেয়। আদালতের পর্যবেক্ষণ, আবেদনকারী কেবল এই ঘোষণা চাইছেন যে ওই পদক্ষেপটি বেআইনি ছিল, যা জরুরি শুনানির উপযুক্ত নয়।
প্রধান বিচারপতি দেবেন্দ্র কুমার উপাধ্যায় এবং বিচারপতি তেজস কারিয়ার ডিভিশন বেঞ্চের সামনে মামলাটি উত্থাপন করা হয়। নিজেই আদালতে উপস্থিত হয়ে আবেদনকারী দাবি করেন, পুলিশ যেভাবে ওয়াংচুককে বিক্ষোভস্থল থেকে সফদরজং হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছে, তা অসাংবিধানিক এবং সংবিধানের ১৪ ও ১৯ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে তাঁর মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন।