Last Updated:
সিকিমের সামারডুংয়ে এনএইচপিসি-র তিস্তা স্টেজ-৬ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্মাণাধীন সুড়ঙ্গে মিথেন গ্যাসের সম্ভাব্য বিস্ফোরণে দুর্ঘটনার পর আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করল NHPC। উদ্ধারকাজে NDRF, SDRF, জেলা প্রশাসন ও বিশেষ খনি উদ্ধারকারী দল যৌথভাবে কাজ করছে। ঘটনার কারণ জানতে বিস্তারিত তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে সংস্থা।
গ্যাংটক: দক্ষিণ সিকিমের সামারডুং এলাকায় এনএইচপিসি (NHPC)-র তিস্তা স্টেজ-৬ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্মাণাধীন ‘হেড রেস টানেল’ (HRT)-এ ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক দুর্ঘটনা নিয়ে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করল সংস্থা। বুধবার এনএইচপিসি জানায়, ২০ জুলাই দুপুর ১টা ৪ মিনিট নাগাদ পাথরের মধ্যে আটকে থাকা মিথেন গ্যাস বলে সন্দেহ করা হচ্ছে এমন গ্যাসের হঠাৎ বিস্ফোরণমূলক নিঃসরণের ফলে সুড়ঙ্গের ভিতরে ঘন ধোঁয়া ও বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে। এর জেরেই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
এনএইচপিসি জানিয়েছে, ঘটনার পরই জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার সমস্ত প্রোটোকল কার্যকর করা হয়। জেলা প্রশাসন, ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স (NDRF), স্টেট ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স (SDRF), স্থানীয় প্রশাসন এবং অন্যান্য জরুরি পরিষেবা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি, ‘ডিজি মাইনস-সেফটি’ (DG Mines-Safety)-র একটি বিশেষ উদ্ধারকারী দলও ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযানে যোগ দিয়েছে।
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী টানেলের ভিতরে ২৫ জন কর্মী আটকে পড়েছিলেন, যাঁদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ১০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। যদিও পরবর্তী সময়ে প্রশাসনের তরফে মৃতের সংখ্যা আরও বেড়েছে বলে জানানো হয়েছে।
এনএইচপিসি জানিয়েছে, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে বিস্তারিত তদন্ত করা হবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে থাকার এবং উদ্ধারকারী সংস্থাগুলিকে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে সংস্থা।
Kolkata,West Bengal
