কলকাতা: বিগ বস বাংলার (Big Boss Bangla) ঘরে টাস্ক মানেই যেন বিতর্ক। প্রত্যেক সপ্তাহেই বিগ বসের ঘরে হয় লাক্সারি বাজেট টাস্ক। এই টাস্কে জয় হলে, ঘরের সদস্যরা এমন কিছু রেশন পান, যেগুলি একটু দামি এবং বিলাসবহুল। এই খাবারগুলির মধ্যে সাধারণত থাকে, কফি, পিনাট বাটার, ওটস, গ্রীন টি-র মতো খাবার। আর এবারের লাক্সারি বাজেট টাস্ক ঘিরেই, বিগ বস হাউজে যে ছবি দেখা গেল, তা মোটেই আশানুরূপ নয়। টাস্ক চলাকালীন প্রতিযোগীরা যে ব্যবহার করলেন, তাতে হতাশা খোদ বিগ বসের গলাতেও!
বিগ বসের ঘরে রোবট-মানুষ খেলা
এই সপ্তাহে বাড়ির প্রতিযোগীদের ২টি দলে ভাগ করে দিয়েছিল বিগ বস। মানুষের দল এবং রোবটদের দল। নিয়ম ছিল, ঘরের যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা এবং বাড়ি ব্যবহারের অধিকার, সমস্তটাই থাকবে রোবটদের দখলে। রোবটেরা অনুমতি দিলে, তবেই মানুষের দলের সবাই গিয়ে নিজেদের বিছানায় ঘুমাতে পারবেন, খেতে পারবেন। আর মানুষদের হাতে থাকবে একটাই ক্ষমতা। রোবটদের চার্জ দেওয়ার ক্ষমতা। রোবটদের একটি ব্যাটারি রয়েছে যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কমতে থাকবে। যদি তাঁরা মানুষের থেকে চার্জ না পান, তাহলে চার্জ শেষ হলে রোবটেরা মরে যাবেন। কিন্তু এই খেলা চলাকালীন, এমন কী করলেন প্রতিযোগীরা?
টাস্কের সময় ঘুম, গল্প করলেন প্রতিযোগীরা! ক্ষুদ্ধ ‘বিগ বস’
এই খেলা চলাকালীন অধিকাংশ প্রতিযোগীকেই দেখা যায়, খেলা থেকে আগ্রহ হারিয়ে ফেলতে। মানুষ এবং রোবটেরা গোল হয়ে বসে গল্প করতে থাকেন, কেউ কেউ আবার টাস্ক চলাকালীন বিছানায় শুয়ে ঘুমিয়েও পড়েন। অনেকে মানুষ এবং রোবটদের দেওয়া বিশেষ পোশাক পর্যন্ত খুলে ফেলেন। রোবটদের দলে যাঁরা ছিলেন, তাঁরা মানুষদের ঘরের কোনোরকম ব্যবহার থেকে আটকে রাখেননি। নিয়ম মেনে রোবটদের চার্জ ও দেননি। এর ফলে, সোহিনী ও নিরঞ্জন, যাঁরা রোবটদের দলে ছিলেন, তাঁদের চার্জ শেষ হয়ে যায়। কিন্তু এতে তাঁরা বলেন যে, তাঁদের লাক্সারি বাজেটের দরকার নেই।
এরপরে বিগ বস প্রতিযোগীদের সামনে বেশ কিছু ছবি তুলে ধরেন, যেখানে দেখা যায়, টাস্ক চলাকালীন প্রতিযোগীরা, ঘুমাচ্ছেন, গল্প করছেন। বিগ বস এই ব্যবহারের তীব্র ভর্ৎসনা করেন এবং প্রতিযোগীদের আরও কঠিন টাস্ক দেন। লাক্সারি বাজেট অর্জন করার জন্য, তাঁদের নিজেদের ঘর থেকেই কিছু জিনিস দিয়ে দিতে হবে। সেই মতো এই সপ্তাহের ক্যাপ্টেন তনুশ্রী সবার সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেন, কী কী জিনিস ঘর থেকে দিয়ে দেওয়া হবে। বিগ বস স্পষ্টভাবে এদিন জানিয়ে দেন, এই শো বিনোদনমূলক। টাস্কের সময় ঘুমানো বা গল্প করা দেখতে একেবারেই পছন্দ করছেন না দর্শক।
Artisan Excellence Award: শাড়ি শিল্পীদের সৃষ্টিকে সম্মান জানাতে, বাটারফ্লাই উইংস ইভেন্টসের উদ্যোগে আয়োজিত হল আর্টিসন এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ডস