Last Updated:
ঘটনার পর লেফটেন্যান্ট গভর্নর পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন এবং বলেন যে, এই হামলার পর তিনি জম্মু ও কাশ্মীরের পুলিশকর্তা নলীন প্রভাত এবং অন্যান্য শীর্ষর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। এই হামলায় ছত্তিশগড়ের এক শ্রমিক নিহত হন।
শ্রীনগর: জম্মু ও কাশ্মীরের কুলগামে অ-স্থানীয় শ্রমিকদের ওপর জঙ্গি হামলার ঘটনায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশ সূত্রের দাবি, হামলার আগে জঙ্গিরা শ্রমিকদের নাম-পরিচয় জানতে চায়। এরপর ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে দুই হিন্দু শ্রমিককে আলাদা করে খুব কাছ থেকে গুলি করা হয়।
সূত্রের খবর, কুলগামের কেল্লাম এলাকার একটি ইটভাটায় একাধিক অ-স্থানীয় শ্রমিক কাজ করছিলেন। তাঁদের মধ্যে বিভিন্ন রাজ্যের শ্রমিক থাকলেও, গুলিবিদ্ধ দুই ব্যক্তি হিন্দু ছিলেন বলে তদন্তকারীদের প্রাথমিক ধারণা। পুলিশ সূত্রের দাবি, হামলাকারীরা প্রথমে শ্রমিকদের পরিচয় জানতে চায়। এরপর দুই হিন্দু শ্রমিককে দল থেকে আলাদা করে তাঁদের লক্ষ্য করে কাছ থেকে গুলি চালায়। ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে, অপরজন গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এই ঘটনায় ধর্মীয় পরিচয়কে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে কি না, সেই দিকটিও তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন। তবে এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। হামলার পর গোটা এলাকা ঘিরে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। হামলাকারীদের খোঁজে অভিযান চলছে। এখনও পর্যন্ত কোনও জঙ্গি সংগঠন এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।
সূত্রের খবর, আহত শ্রমিকের বর্তমানে অস্ত্রোপচার চলছে। নিরাপত্তাবাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে এবং হামলাকারীদের শনাক্ত করতে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে। ঘটনাটি নিয়ে আরও তদন্ত চলছে। সূত্র আরও জানায়, তদন্তকারীরা একজন স্থানীয় ও একজন বিদেশি সন্ত্রাসীর জড়িত থাকার সন্দেহ করছেন এবং তদন্তের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন মোহাম্মদ লতিফ, যিনি গত বছর লস্কর-ই-তৈবা/দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট (টিআরএফ)-এ যোগ দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তদন্ত চলছে এবং কর্মকর্তারা এখনও কোনও বিস্তারিত বিবৃতি দেননি। নিহত শ্রমিকের নাম দীপক রাত্রে (২৪) এবং আহত শ্রমিকের নাম বোপিন্দর (২৮)। দু’জনেই ছত্তিশগড়ের বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে কুলগামের কেল্লাম এলাকার একটি ইটভাটায় শ্রমিকদের থাকার জায়গায় মোটরবাইকে করে আসে জঙ্গিরা। এরপর তারা শ্রমিকদের আবাসনের ভিতরে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। পুরো ঘটনার তদন্ত চলছে৷
Kolkata [Calcutta],Kolkata,West Bengal
Jul 31, 2026 10:39 PM IST
