Last Updated:
Abhijeet Dipke’s Education: অভিজিৎ দিপকের বাবা ভগবান দিপকে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মী৷ তিনি কীভাবে ছেলের আমেরিকাতে পড়াশোনার খরচ চালাচ্ছেন? প্রশ্ন তুলে আরটিআই আবেদন করেন সুরাতের এক সমাজসৈনিক৷ এরপরেই প্রতিক্রিয়া জানাল সিজেপি৷
নয়াদিল্লি: ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকের পড়াশোনার খরচ কীভাবে জোগাচ্ছেন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মী বাবা? সেই তথ্য জানতে আরটিআই (তথ্য জানার অধিকার আইন) আবেদন করেছেন সুরতের এক সমাজসৈনিক। এই প্রসঙ্গে এবার প্রতিক্রিয়া জানাল ‘ককরোচ’ দল৷ CJP-র দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের বস্টন ইউনিভার্সিটি-তে অভিজিৎ দীপকের পড়াশোনার খরচ বহন করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কলারশিপ এবং শিক্ষাঋণ (Education Loan)-এর মাধ্যমে।
সাংবাদিক বরখা দত্ত-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অভিজিৎ দীপকে স্পষ্ট জানিয়েছেন, তাঁর বিদেশে পড়াশোনার পিছনে কোনও অঘোষিত পারিবারিক সম্পদের ভূমিকা ছিল না। তিনি বলেন, “আমার পড়াশোনার খরচ বস্টন ইউনিভার্সিটির দেওয়া স্কলারশিপ থেকে এসেছে। পাশাপাশি একটি শিক্ষাঋণও নিয়েছিলাম, যা এখনও আমাকে শোধ করতে হবে।” সাক্ষাৎকারে তিনি বস্টন ইউনিভার্সিটির দেওয়া স্কলারশিপের চিঠিও দেখান।
এই বিতর্কের সূত্রপাত সুরতের আরটিআই (RTI) কর্মী অমিত তিওয়ারি-র অভিযোগকে ঘিরে। তিনি মহারাষ্ট্র সরকার-সহ একাধিক কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানিয়ে অভিজিৎ দীপকের পরিবারের আর্থিক লেনদেনের তদন্ত দাবি করেছেন।
তিওয়ারির প্রশ্ন, অভিজিৎ দীপকের বাবা ভগবানরাও দীপকে, যিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী এবং মাসে আনুমানিক ৬০ হাজার থেকে ৬৫ হাজার টাকা বেতন পেতেন, তিনি কীভাবে ছেলের যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার বিপুল ব্যয় বহন করলেন?
সাক্ষাৎকারে CJP-র ভবিষ্যৎ অর্থসংস্থানের পরিকল্পনাও জানান অভিজিৎ দীপকে। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে সংগঠনটি ক্রাউডফান্ডিং (Crowdfunding)-এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা নেবে। তাঁর কথায়, “আমরা মানুষের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করব এবং পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ স্বচ্ছ থাকবে।”
সম্প্রতি NEET-UG ২০২৬ প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে দিল্লির যন্তর মন্তর-এ CJP-র আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে দীপকে দাবি করেন, সেই আন্দোলনে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন ছিল। তিনি বলেন, “যাঁরা বিক্ষোভে এসেছিলেন, তাঁরা দেখেছেন সাধারণ মানুষ আমাদের খাবার দিয়েছেন। অনেকেই নিজেরাই জল নিয়ে এসেছিলেন।”
পরিবেশ আন্দোলনকারী সোনম ওয়াংচুক-এর সমর্থনে জুন মাসের শেষ দিকে NEET-UG প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে CJP-র আন্দোলন শুরু হয়। পরে জুলাই মাসে ‘সংসদ চলো’ কর্মসূচির ডাক দেওয়ার পর আন্দোলন আরও জোরদার হয়। ২০ জুলাই, সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশন শুরুর দিন, প্রবল বৃষ্টি ও পুলিশি ব্যারিকেড উপেক্ষা করে বিপুল সংখ্যক আন্দোলনকারী যন্তর মন্তর থেকে সংসদের দিকে মিছিল করেন। শেষ পর্যন্ত ২৫ জুলাই, আন্দোলনরত পড়ুয়াদের অন্যতম দাবির প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করলে সেই আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটে।
Kolkata,West Bengal
Aug 03, 2026 10:50 AM IST
