আপনার কাছে যদি বড় অঙ্কের টাকা থাকে, তাহলে পুরো টাকা একটি মাত্র FD-তে বিনিয়োগ না করে বিভিন্ন মেয়াদের একাধিক FD-তে ভাগ করে রাখার কথা বিবেচনা করতে পারেন। এই পদ্ধতিকে FD ল্যাডারিং স্ট্র্যাটেজি বলা হয়। উদাহরণ হিসেবে, পুরো টাকা একসঙ্গে পাঁচ বছরের FD-তে না রেখে তার একটি অংশ এক বছর, একটি অংশ দুই বছর, আরেকটি অংশ তিন বছর এবং বাকি টাকা আরও দীর্ঘ মেয়াদের FD-তে রাখা যেতে পারে।
এর সুবিধা হল, হঠাৎ টাকার প্রয়োজন হলে পুরো বিনিয়োগ ভাঙার পরিবর্তে নির্দিষ্ট একটি FD ভাঙলেই কাজ হতে পারে।” width=”1200″ height=”900″ class=”wp-image-2834932 size-full” /> কীভাবে আরও বেশি সুবিধা পেতে পারেন?
আপনার কাছে যদি বড় অঙ্কের টাকা থাকে, তাহলে পুরো টাকা একটি মাত্র FD-তে বিনিয়োগ না করে বিভিন্ন মেয়াদের একাধিক FD-তে ভাগ করে রাখার কথা বিবেচনা করতে পারেন। এই পদ্ধতিকে FD ল্যাডারিং স্ট্র্যাটেজি বলা হয়। উদাহরণ হিসেবে, পুরো টাকা একসঙ্গে পাঁচ বছরের FD-তে না রেখে তার একটি অংশ এক বছর, একটি অংশ দুই বছর, আরেকটি অংশ তিন বছর এবং বাকি টাকা আরও দীর্ঘ মেয়াদের FD-তে রাখা যেতে পারে। এর সুবিধা হল, হঠাৎ টাকার প্রয়োজন হলে পুরো বিনিয়োগ ভাঙার পরিবর্তে নির্দিষ্ট একটি FD ভাঙলেই কাজ হতে পারে।
