Last Updated:
Bakreshwar Temple: শ্রাবণের পুণ্যলগ্নে হাজার হাজার ভক্তের ঢল বক্রেশ্বরে! লাইটিং আর পাইপের জলের সাময়িক ব্যবস্থা হলেও মিলল না স্থায়ী উন্নয়নের ছোঁয়া। তারকেশ্বরের মতো আধুনিক রূপ না পাওয়ায় বঞ্চনার আক্ষেপে সোচ্চার বীরভূমবাসী।
বীরভূম, সৌভিক রায়: রাজ্যে ক্ষমতা এসেছে নতুন সরকার। তারকেশ্বরে উন্নয়নের জোয়ার, বক্রেশ্বর কী তবে বঞ্চিত? শ্রাবণের এই পবিত্র মাসে উঠল উন্নয়নের জোরালো দাবি। শ্রাবণ মাসের। এইদিন ভোরের আলো ফোটার আগেই মোট ৫১টি সতীপীঠের অন্যতম বক্রেশ্বর সতীপীঠে ভক্তদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। বক্রেশ্বর একদিকে যেমন সতীপীঠ অন্যদিকে শৈবক্ষেত্র এই দুই মাহাত্ম্যকে কেন্দ্র করে দূর-দূরান্ত থেকে অসংখ্য পুণ্যার্থী বাবা বক্রেশ্বরের মাথায় জল ঢালতে ভিড় জমায়। এবার শ্রাবণ মাসের পাঁচটি সোমবারেই মন্দিরে চোঙ্গার মাধ্যমে জল ঢালার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ফলে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে না ভক্তদের। দ্রুত ও সুশৃঙ্খলভাবে জল ঢেলে তাঁরা মন্দির চত্বর ত্যাগ করছেন। এর ফলে ভিড়, ঠেলাঠেলি ও বিশৃঙ্খলা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বক্রেশ্বর মন্দির কমিটির সভাপতি দেবনাথ মুখার্জি জানান, ভক্তদের নিরাপত্তা ও পরিষেবার স্বার্থে মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে প্রায় ৭০ জন স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করা হচ্ছে, যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে এবং সকল ভক্ত নির্বিঘ্নে পুজো দিতে পারেন। প্রসঙ্গত সম্প্রতি তিলপাড়া থেকে বক্রেশ্বরগামী কাঁধে-বাঁক যাত্রাপথে পর্যাপ্ত আলো ও নিরাপত্তার অভাবের অভিযোগ তুলে জেলা প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি জমা করেছিলেন বীরভূম জেলার সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সভাপতি উদয় শঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্ব বিজেপি কর্মী ও সমর্থকরা।
এরপরেই যাত্রাপথে একাধিক আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে দেবনাথ মুখার্জি জানান ভক্তদের সুবিধার জন্য এই পদক্ষেপ প্রশংসনীয়। তবে তাঁর দাবি, এই ব্যবস্থা যেন শুধু শ্রাবণ মাসেই সীমাবদ্ধ না থেকে স্থায়ীভাবে বজায় থাকে। সেই সঙ্গে তিনি বক্রেশ্বরের সার্বিক উন্নয়নের দাবিও জোরকদমে তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য, অতীতে বহু প্রকল্প গড়ে উঠলেও সেটার যথাযথ ব্যবহার হয়নি।
Birbhum,West Bengal