Last Updated:
Indian Railways: প্রায় ছয় ঘণ্টার ট্রাফিক ব্লকের মধ্যে সুপরিকল্পিত ‘কাট-অ্যান্ড-কানেকশন’ কার্যক্রমের মাধ্যমে নতুন সেতু ও ডাইভার্ট করা রেলপথটি দুই প্রান্তেই বিদ্যমান চালু লাইনের সঙ্গে সফলভাবে যুক্ত করা হয়েছে।
কলকাতা: উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে একটি নতুন মেজর ব্রিজ নং. ৭ সফলভাবে চালু করে পরিকাঠামোগত উন্নয়নে এক উল্লেখযোগ্য মাইলফলক অর্জন করেছে। লামডিং ডিভিশনের অধীনস্থ চাপরমুখ-শেনচোয়া সেকশনে একটি স্থায়ী ট্র্যাক ডাইভারশনসহ এই ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়েছে। এই নতুন ব্রিজটি প্রিস্ট্রেসড কংক্রিট স্ল্যাব ও ওপেন ওয়েব গার্ডারের সমন্বয়ে গঠিত—যা ইঞ্জিনিয়ারিং-এর ক্ষেত্রে এক উল্লেখযোগ্য আধুনিকীকরণের উদাহরণ—এবং এটি উক্ত স্থানে বিদ্যমান পুরনো ব্রিজটিকে প্রতিস্থাপন করবে।
পুরনো সেতুটি—যা মূলত একটি মিটার গেজ কাঠামো ছিল যা পরবর্তীকালে শক্তিশালী ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়েছিল, ১৯৯৪ সালে মিটার গেজ থেকে ব্রড গেজে রূপান্তরের সময় কিছু পরিচালনগত সীমাবদ্ধতা ছিল এবং সেখানে ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটারের পারমানেন্ট স্পীড রেসট্রিক্টশন (পিএসআর) আরোপিত ছিল। আধুনিকীকরণ ও উন্নত সুরক্ষা কারিগরি প্রয়োজনীয়তার প্রতি লক্ষ্য রেখে, এই ডিভিশন এই সেকশনে ট্রেনের চলাচলকে আরও সুগম ও সুরক্ষিত করার লক্ষ্যে, একটি স্থায়ী বিকল্প পথ নির্মাণের পাশাপাশি পুনর্নির্মাণ কাজ হাতে নিয়েছে।
নতুন ব্রিজ এবং ডাইভারশন করা রেলপথটিকে, প্রায় ছয় ঘণ্টার একটি ট্রাফিক ব্লকের আওতায় সুসমন্বিত ‘কাট-অ্যান্ড-কানেকশন’ অভিযানের মাধ্যমে উভয় প্রান্তে বিদ্যমান সচল লাইনের সাথে সফলভাবে সংযুক্ত করা হয়েছে।
পরিচালনগত চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও কাজটি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সম্পন্ন হয় এবং সেই দিনই ট্রেন চলাচলের জন্য সংশ্লিষ্ট সেকশনটি চালু করা হয়; যা ইঞ্জিনিয়ারিং ও পরিচালন টিমের উচ্চমানের পরিকল্পনা, সমন্বয় এবং বাস্তবায়নের সক্ষমতারই পরিচায়ক।
এই উন্নত পরিকাঠামো চালু হওয়ার ফলে, ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটারের পূর্ববর্তী গতিবেগ সীমাবদ্ধতা প্রত্যাহার করা হয়েছে; যার ফলে এই সেকশনে পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধির সাথে সুরক্ষা মজবুত এবং ট্রেন চলাচল আরও সুগম হয়েছে। এই সাফল্য রেল পরিকাঠামো শক্তিশালীকরণ এবং এই অঞ্চলে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের ধারাবাহিক অঙ্গীকারকেই তুলে ধরে।
