Last Updated:
Nashik TCS Case Nida Khan: পুলিশ জানিয়েছে, আগেই নিদার স্বামী মইন ইকবাল খানকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তবে ইকবালের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়েও ধরা যায়নি নিদাকে। গা-ঢাকা দিয়েছিলেন তিনি। ছত্রপতি শম্ভাজিনগরের নারেগাঁও এলাকার কায়সার কলোনির একটি ফ্ল্যাটে বাবা-মায়ের কাছে ছিলেন তিনি। এই কথা জানার পরেই সেখানে অভিযান চালানো হয়।
নাসিক: গ্রেফতার টিসিএস নাসিকের যৌন হেনস্থার ঘটনায় অভিযুক্ত নিদা খান। বৃহস্পতিবার রাতে মহারাষ্ট্রের শম্ভাজিনগর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। জোর করে ধর্মান্তরকরণ ও যৌন হেনস্থার ঘটনায় নাম জড়িয়ে ছিল নিদা খানের। অভিযোগ ওঠার পর থেকে পলাতক ছিলেন ওই সংস্থার টেলিকলার নিদা খান। তবে আগেই তাঁকে সাসপেন্ড করেছিলেন কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্ত নিদা খানের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, যৌন শোষণ এবং ধর্মান্তরের মামলায় ৪০ দিন আগে এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল। নাসিক এস.আই.টি, ছত্রপতি শম্ভাজিনগর ক্রাইম ব্রাঞ্চ এবং ছত্রপতি শম্ভাজিনগর পুলিশ কমিশনারের যৌথ অভিযানের পর নিদা খানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ অনেক দিন ধরেই তাকে ধরার চেষ্টা করছিল।
অভিযুক্ত নিদা খান গত চার দিন ধরে নারেগাঁওয়ের কায়সার কলোনিতে একটি ফ্ল্যাটে থাকছিল। পুলিশ গত দুই দিন ধরে ওই ফ্ল্যাটে নজর রাখছিল। সে সেখানে তার বাবা-মা, ভাই এবং মাসি-র সঙ্গে থাকছিল। এখন নিদা খানকে নাসিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাকে জে.এম.এফ.সি. বিচারকের বাসভবনে পেশ করা হয়, যেখানে থেকে ট্রানজিট রিম্যান্ড নেওয়া হয়েছে। এরপর পুলিশ তাকে নিয়ে রওনা দেয়।
নিদা খান কে? কী এই নাসিক টিসিএস কাণ্ড ?
নিদা খান টিসিএস-এর সাসপেন্ড হওয়া কর্মী। সে কোম্পানির নাসিক ইউনিটে কাজ করত। তার বিরুদ্ধে মহিলাদের সঙ্গে যৌন শোষণ, মানসিক নির্যাতন এবং ধর্ম পরিবর্তনের জন্য চাপ দেওয়ার অভিযোগ আছে। এর আগে পুলিশ এই একই মামলায় ছয়জন কর্মীকে গ্রেফতার করেছিল। পুলিশের মতে, নিদা খান অনেক দিন ধরে পলাতক ছিল এবং নাসিক পুলিশের টিম তাকে খুঁজছিল।
নিদা খান নিয়ে কী কী তথ্য সামনে এসেছে ?
নিদা খানের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফ.আই.আর-এ আই.টি কোম্পানির নাসিক ইউনিটের কর্মস্থলের পরিবেশ নিয়ে চমকপ্রদ দাবি করা হয়েছে। অভিযোগ, নিদা খান মহিলা সহকর্মীদের উপর ধর্মীয় রীতি-নীতি মানার জন্য চাপ দিত, যার মধ্যে পোশাক এবং খাওয়া-দাওয়ার অভ্যাস নিয়ে পরামর্শ দেওয়া ছিল। বিশেষ সরকারি আইনজীবী অজয় মিসর-র দেওয়া প্রমাণে বলা হয়েছে, নিদা এক অভিযোগকারীকে বোরখা ও হিজাব দিয়েছিল, নমাজ শিখিয়েছিল এবং তার মোবাইল ফোনে ইসলামী শিক্ষার অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল করিয়েছিল।
মোবাইল-ডায়েরি থেকে বেরোবে গোপন তথ্য ?
এমনও অভিযোগ আছে যে, ভুক্তভোগীর নাম বদলে ‘হানিয়া’ রাখা এবং তাকে চাকরির জন্য মালয়েশিয়া পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল। তদন্তকারীদের ধারণা, নিদা খান-কে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা দরকার, যাতে তার মোবাইল ফোন এবং ডায়েরি উদ্ধার করা যায়, যেখান থেকে বাইরের ফান্ডিং-এর উৎস এবং মালেগাঁও ও মালয়েশিয়া-তে ধর্মান্তর নেটওয়ার্কের বড় লিঙ্ক সামনে আসতে পারে।
Nashik,Maharashtra
May 08, 2026 11:04 AM IST
