Last Updated:
Husband and Wife: বিয়ের ১৭ বছর পর ফিরে এসে স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন, বর্ধমানে গ্রেফতার ষাটোর্ধ্ব স্বামী ১৭ বছরের বিচ্ছেদ ঘুচিয়ে ফিরল স্বামী, তবে ভালোবাসা নয়, সঙ্গে নিয়ে এল মৃত্যু! পরিণতি হল ভয়ংকর।
পূর্ব বর্ধমান : ১৭ বছরের বিচ্ছেদ ঘুচিয়ে ফিরল স্বামী, তবে ভালবাসা নয়, সঙ্গে নিয়ে এল মৃত্যু! দীর্ঘ ১৭ বছরের দীর্ঘশ্বাস আর একাকী লড়াইয়ের অবসান কি এভাবেই হওয়ার কথা ছিল? যে স্বামী ১৭ বছর আগে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে ঘর থেকে বের করে দিয়েছিল, সেই মানুষটিই আচমকা ফিরে এল কিন্তু তার ফেরার উদ্দেশ ছিল অন্য। হাড়হিম করা এক ঘটনার সাক্ষী থাকল বর্ধমান।
বিবাহের প্রায় ১৭ বছর পর পরিত্যক্তা স্ত্রীর কাছে ফিরে মোটা টাকার দাবি। টাকা দিতে অস্বীকার করায় স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন করার অভিযোগকে কেন্দ্র করে চঞ্চল্য ছড়াল বর্ধমানের রথতলা পদ্মপুকুর এলাকায়। মৃতের নাম শিবানী দাস ওরফে শিবানী পাল(৫৩)। মৃতার পরিবারের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্ত ষাটোর্ধ্ব সঞ্জয় পালকে গ্রেফতার করেছে বর্ধমান থানার পুলিশ।
ধৃতকে মঙ্গলবার বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়েছে। মৃতার পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১৮ বছর আগে হাওড়া সালকিয়ার বাসিন্দা সঞ্জয় পালের সঙ্গে বিবাহ হয় শিবানী দাসের। বিবাহের পর থেকেই নানা কারণে শিবানী দাসকে শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্তা করা হত বলে অভিযোগ।
বিবাহের ছয় মাসের মধ্যে গর্ভবতী অবস্থায় শিবানী দাসকে ঘর থেকে বের করে দেওয়া হলে সেই থেকেই শিবানী দাস রথতলা পদ্মপুকুর এলাকায় তার বাপের বাড়িতে বসবাস শুরু করে এবং এখানেই তার একটি কন্যা সন্তান হয়। সেই ঘটনার প্রায় ১৭ বছর পর এদিন সাড়ে পাঁচটা নাগাদ হঠাৎই সঞ্জয় পাল শিবানী দাসের কাছে আসে এবং মোটা টাকা দাবি করে, সেই টাকা দিতে অস্বীকার করলে সঞ্জয় পাল শিবানী দাসকে একাধিকবার দা-এর কোপ মারে।
তার চিৎকারে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা ছুটে এলে সঞ্জয় পাল শিবানী দাসের নিকট আত্মীয় রুদ্র দাসকেও কোপ মারার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। এরপর পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা প্রতিরোধ করতেই সঞ্জয় এলাকা ছাড়ে। গুরুতর জখম অবস্থায় শিবানী দাসকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। এরপর ঘটনার বিবরণ জানিয়ে বর্ধমান থানায় লিখিত অভিযোগ করেন শিবানী দাসের ভাই গৌতম দাস। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্তে নেমে অভিযুক্ত সঞ্জয় পালকে গ্রেফতার করে বর্ধমান থানার পুলিশ। যদিও ধৃত সঞ্জয় পালের দাবি, স্ত্রী এখানে থাকতে চাইত কিন্ত সেই চায় স্ত্রী তার সঙ্গে হাওড়ায় গিয়ে বসবাস করুক। দীর্ঘদিন ধরে এটি নিয়ে তাদের মধ্যে বিবাদ চলছিল।বেশ কিছুদিন আগে সে বর্ধমান এসেছে। গতকাল স্ত্রী-এর কাছে যায় কথা বলার জন্য,যাতে আলোচনায় বসা যায় কিন্তু সে রাজি হয়নি।
Sayani Sarkar
Kolkata,West Bengal
Husband and Wife: স্ত্রীকে ছেড়ে চলে গিয়েছিল স্বামী, ১৭ বছর পরে ফিরে চাইল টাকা, ‘না’ বলায় শেষ করে দিল স্ত্রীকে
