ট্রাম্প আজ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। বৈঠকে মূল গুরুত্ব পেতে চলেছে বাণিজ্য ইস্যু।
শুধু বাণিজ্য কেন্দ্রিক আলোচনাই নয়, এই বৈঠকে উঠে আসতে পারে ইজরায়েল-ইরান যুদ্ধও। জানা গিয়েছে,
দুই নেতার আলোচনায় তাইওয়ান এবং চলমান ইরান সঙ্ঘাতও বড় বিষয় হিসাবে উঠে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ওয়াশিংটন ও বেজিংয়ের মধ্যে এই দুই ইস্যুই দীর্ঘদিনের উত্তেজনার কারণ।
একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের দাবি, ট্রাম্প এবং চিন দুই পক্ষই ইরানের ওপর প্রভাব খাটিয়ে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ থামাতে ও ওয়াশিংটনের সঙ্গে শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর আহ্বান জানাতে পারেন।
বেজিং রওনা হওয়ার আগে ট্রাম্প বলেন, “ইরান নিয়ে তিনি শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করবেন। যদিও তিনি জোর দিয়ে বলেন, “আমেরিকার চিনের সাহায্যের প্রয়োজন নেই।” সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন,
“শান্তিপূর্ণভাবে হোক বা অন্যভাবে, আমরা জিতবই।”
ট্রাম্পের সঙ্গে টেক জায়ান্টরা
চিন সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে রয়েছেন ইলন মাস্ক এবং জেনসন হুয়াং-এর মতো প্রযুক্তি জগতের শীর্ষ ব্যক্তিত্বরা। সফরের আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি বেজিংকে মার্কিন শিল্পের জন্য আরও “উন্মুক্ত” হতে বলবেন।
চিনের ‘চার লাল ফিতের ফাঁস’
যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত চিনা দূতাবাস জানিয়েছে, “পারস্পরিক সম্মান, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান এবং উভয়পক্ষের লাভজনক সহযোগিতাই” চিন-আমেরিকা সম্পর্কের সঠিক পথ।
একই সঙ্গে বেজিং স্পষ্ট করেছে, দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে চারটি বড় বিষয় “চ্যালেঞ্জ করা যাবে না”। এগুলি হল — তাইওয়ানের বিষয়ে প্রশ্ন, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার ইস্যু, রাজনৈতিক ব্যবস্থার পার্থক্য এবং চিনের উন্নয়নের অধিকার।
চিনের দাবি, এই বিষয়গুলো দুই দেশের স্থিতিশীল সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চিন আরও জানিয়েছে, মতপার্থক্য সামাল দিয়েও তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে প্রস্তুত।