দিল্লি: জ্বালানি বাঁচাতে ও সরকারের বিদেশি মুদ্রার ভাণ্ডারের উপর চাপ কমাতে একাধিক পদক্ষেপ করার কথা ঘোষণা করলে দিল্লির সরকার। কয়েক দিন আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি হিসাব করে খরচ করার কথা বলেন ও জ্বালানি সাশ্রয়ের কথা বলেন। আর সেই আহ্বানের পরই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে দিল্লির সরকার। নতুন এই সিদ্ধান্তে দিল্লির সব সরকারি কর্মীকে সপ্তাহে ২ দিন করে বাড়ি থেকে কাজ করতে হবে।
আরও পড়ুন: পেট্রোল বা ডিজেল বাঁচাতে আহ্বান জানিয়েছেন মোদি, এই গাড়ি কিনলে হতে পারে জ্বালানি সাশ্রয়
সরকার ইতিমধ্যেই জানিয়েছে সরকারি দফতরের ৫০ শতাংশ বৈঠক এখন অনলাইনেই করা হবে। এর ফলে যাতায়াত কমবে ও জ্বালানি খরচও কমবে বলেই মনে করছে সরকার। পাশাপাশি কমবে যানজটও। আর যানজট কমানোর জন্য অফিসেগুলোর সময়সূচিতেও বদল করা হবে। আর সেই ক্ষেত্রে দিল্লির সরকার ও দিল্লির পুরসভা আলাদা আলাদা সময়সূচি অনুসরণ করবে। সরকার আশা করছে এর ফলে রাস্তার উপর চাপও অনেকটা কমবে।
সরকারি গাড়ির ব্যবহারও কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আধিকারিকদের জন্য বরাদ্দ পেট্রোলর পরিমাণ কমানো হয়েছে ২০ শতাংশ। আগে মাসে ২০০ লিটার পর্যন্ত পেট্রোল পেতেন দিল্লি সরকারের আধিকারিকরা। এবার সেই পরিমাণ কমবে বেশ কিছুটা। এ ছাড়াও জ্বালানি সাশ্রয় করার জন্য সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে বিশেষ প্রচর অভিযান চালানো হবে বলেও জানা গিয়েছে। এ ছাড়াও আরও একাধিক পরিকল্পনা নিয়েছে প্রশাসন।
আরও পড়ুন: পেট্রোল বা ডিজেল বাঁচাতে আহ্বান জানিয়েছেন মোদি, এই গাড়ি কিনলে হতে পারে জ্বালানি সাশ্রয়
জ্বালানি সাশ্রয় ও দক্ষতার সঙ্গে কাজকর্ম চালানোর জন্য বিজেপির নেতৃত্বাধীন সরকার রাজধানীতে ‘আমার ভারত, আমার অবদান’ নামের একটা অভিযান শুরু করেছে। দিল্লির সরকারের তরফে জানানও হয়েছে প্রতি সোমবার মেট্রো দিবস হিসাবে পালন করা হবে। এবং দিল্লি সরকারের মন্ত্রী, আধিকারিক ও কর্মচারীরা ওই দিন মেট্রোয় চেপে যাতায়াত করবেন। এ ছাড়াও সরকার প্রতি সপ্তাহে একটা দিন সাধারণ মানুষের কাছে ‘নো ভেহিকল ডে’ হিসাবে পালন করার জন্য আবেদন জানিয়েছে। এ ছাড়াও সরকার জানিয়েছে, আগামী ছয় মাসে কোনও নতুন পেট্রোল, ডিজেল বা বৈদ্যুতিক যানবাহন কেনা হবে না।