Last Updated:
এবার শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের বিরুদ্ধে অভ্যন্তরীণ অনুসন্ধান শুরু করল লালবাজার। অভিযোগ, কলকাতা পুলিশের বডিগার্ড লাইন্সের ভিতরে একটি সমবায় ব্যাঙ্ক রয়েছে । সেই ব্যাঙ্কে জোর করে বেশ কয়েকটি অ্যাকাউন্ট খুলে তার মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন করেছেন শান্তনু সিনহা বিশ্বাস। এই অভিযোগ সামনে আসতেই অনুসন্ধান শুরু করেছে লালবাজার।
এবার শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের বিরুদ্ধে অভ্যন্তরীণ অনুসন্ধান শুরু করল লালবাজার। অভিযোগ, কলকাতা পুলিশের বডিগার্ড লাইন্সের ভিতরে একটি সমবায় ব্যাঙ্ক রয়েছে । সেই ব্যাঙ্কে জোর করে বেশ কয়েকটি অ্যাকাউন্ট খুলে তার মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন করেছেন শান্তনু সিনহা বিশ্বাস। এই অভিযোগ সামনে আসতেই অনুসন্ধান শুরু করেছে লালবাজার।
প্রসঙ্গত, কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের ঠিকানা নিয়ে উঠল প্রশ্ন। এই নিয়ে ED-র হাতে এল বিস্ফোরক তথ্য। ED সূত্রে জানা গেছে, 5F, ফার্ন রোডের যে ঠিকানাটি তিনি সরকারি নথিতে উল্লেখ করেছিলেন, সেটি বেআইনি নির্মাণ বলে আগেই অভিযোগ ছিল।
অভিযোগ, ক্ষমতার অপব্যবহার করে ওই সম্পত্তির দখল নেন তিনি এবং মালিকানা সংক্রান্ত জটিলতা থাকা সত্ত্বেও সেখানে বসবাস শুরু করেন। এই মামলায় গ্রেফতার ব্যবসায়ী জয় কামদারের কাছ থেকেই ED এই তথ্য পেয়েছে। এবার ইডির নজরে শান্তনু সিনহা বিশ্বাস ঘনিষ্ঠ ১২ জন পুলিশের অফিসার ইনচার্জ যারা বিভিন্ন থানার ইনচার্জ হিসাবে কর্মরত ছিলেন। তাঁদেরকে তলক করে জিজ্ঞাসাবাদের প্রক্রিয়া শুরু করতে চলেছে ইডি। এই সমস্ত অফিসারদের মাধ্যমেই ব্যবসায়ী জয় কামদারকে জমি জোর করে দখল করিয়ে দিত বলে অভিযোগ।
জমি মালিকদের থানায় ডেকে ভয় দেখিয়ে জমি হাতিয়ে নিত বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যেই শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সেই মোবাইল ফোন থেকে নথি উদ্ধারের চেষ্টা করা হচ্ছে। মোবাইল ফোন থেকে একাধিক তথ্য তিনি মুছে ফেলেছেন বলে জানিয়েছেন অফিসারেরা। সেই ডিলিট হওয়া তথ্য পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছে ইডি।
Kolkata [Calcutta],Kolkata,West Bengal
