*সিসকোর একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, বিশ্বব্যাপী এআই ব্যবহারকারীদের ২৯ শতাংশ চ্যাটবটে ব্যক্তিগত বা গোপনীয় তথ্য, যার মধ্যে আর্থিক ও স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিবরণও দিয়েছেন, যদিও ৮৪ শতাংশ তাদের তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশ হয়ে যাওয়ার বিষয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন। ছ’টি প্রধান এআই কোম্পানি—অ্যামাজন, অ্যানথ্রোপিক, গুগল, মেটা, মাইক্রোসফট এবং ওপেনএআই-এর গোপনীয়তা নীতি পরীক্ষা করে স্ট্যানফোর্ডের একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, এই ছ’টি সংস্থা তাদের মডেল প্রশিক্ষণের জন্য চ্যাট ডেটা ব্যবহার করে এবং কিছু কোম্পানি এই তথ্য অনির্দিষ্টকালের জন্য সংরক্ষণ করে। গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, “চ্যাটবট ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের পদ্ধতিকে মৌলিকভাবে পরিবর্তন করতে প্রস্তুত, শুধু তথ্য অনুসন্ধানের প্রয়োজনের জন্যই নয়, বরং অত্যন্ত ব্যক্তিগত ও অন্তরঙ্গ প্রশ্নের উত্তর খোঁজার জন্য।” সংগৃহীত ছবি।
