কলকাতা: রাজারহাট-গোপালপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অদিতি মুন্সি (Aditi Munshi) ও বিধাননগর পুরসভার মেয়র পারিষদ ও তৃণমূল কাউন্সিলর দেবরাজ চক্রবর্তীর (Debraj Chakraborty) হয়ে হাইকোর্টে সওয়াল করেছেন আইনজীবী তথা সিপিএম নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য (Bikash Ranjan Bhattacharya)। নাম না করে বিকাশ ভট্টাচার্যকে নিশানা সৌরভ পালোধির (Sourav Paodhi)। সোশাল মিডিয়ায় সিপিএমের আইনজীবী নেতাকে আক্রমণ পরিচালক সৌরভ পালোধির। কী লিখলেন তিনি?
নাম না করে, বিকাশরঞ্জনকে নিশানা সৌরভ পালোধির
সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি লম্বা পোস্ট করে সৌরভ পালোধি লেখেন, ‘যে পার্টির চুরি আর দুর্নীতির জন্য আপনার পার্টির হাজার হাজার কর্মী খুন হল…তাদের চুরি যে চুরি নয়, এটা প্রমাণ করতে আপনি কোর্টে লড়বেন? এটাকে আবার আপনি আপনার কাজ বলে ন্যারেটিভ সেট করবেন! এটা কেমন কমরেডশিপ? আমরা রইলাম আমাদের আদর্শ আঁকড়ে, পার্টির খারাপ সময় থেকে পার্টির সমর্থক। জিতেছে বলে আখের গোছানোর জন্য পার্টি সমর্থক হইনি। আমরা রইলাম সিপিএম আঁকড়ে… আপনি প্রার্থী ছিলেন অনেকবার। আপনি আপনার শত্রু শিবিরের হয়ে কোর্টে সওয়াল করবেন? আপনার শুধু ‘কাজ’ আছে, সুদীপ্ত মইদুলের কোনও ‘কাজ’ ছিল না’।
বিকাশরঞ্জনের নাম না করে ইঙ্গতপূর্ণ বার্তা কল্যাণের
অন্যদিকে এই আবহে, এবার নাম না করে এক্স হ্যান্ডলে বিঁধলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। পোস্টে তিনি লিখেছেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে নিজেকে বারবার সোচ্চার কণ্ঠস্বর হিসেবে তুলে ধরা এক প্রবীণ আইনজীবীকেই এবার দেখা যাচ্ছে, দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত এক প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক ও তাঁর স্বামীর পক্ষে আদালতে সওয়াল করতে। তিনি লিখেছেন, একদিকে ওই প্রবীণ আইনজীবী আদালতে দাবি করছেন, ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক দুর্নীতির মাধ্যমে চাকরি পেয়েছেন। অন্যদিকে, ওই একই ব্যক্তি আবার দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের পক্ষেও দাঁড়াচ্ছেন। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি ওই প্রবীণ আইনজীবীর দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান বাছাই করা? প্রশ্ন উঠছে, তবে কি বিজেপি ও সিপিএম-এর মধ্যে কোনও সমঝোতা তৈরি হয়েছে? নাকি রাজনৈতিক অবস্থান ও আইনি লড়াই এখন সম্পূর্ণ ভিন্ন সমীকরণে পরিচালিত হচ্ছে?