Last Updated:
বৃহস্পতিবার ডেবরায় এসে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি আইপ্যাক এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্বের উপর ক্ষোভ উগরে দেন প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক।
দিগ্বিজয় মাহালি, ডেবরা: দলের নেতাদের লাগামছাড়া দুর্নীতি আর আইপ্যাক-এর কারণেই বিপর্যয়ের মুখে তৃণমূল৷ এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে সরব হলেন প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর৷ ডেবরার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের আরও অভিযোগ, দুর্নীতি নিয়ে দলের উপরমহলে অভিযোগ জানানোয় আরও কোণঠাসা করা হয় তাঁকে৷
২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরা থেকে জয়ী হয়েছিলেন প্রাক্তন আইপিএস অফিসার হুমায়ুন কবীর৷ কিন্তু এবার তাঁকে মুর্শিদাবাদের ডোমকল কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করে তৃণমূল৷ ডোমকলে সিপিএমের মোস্তাফিজুর রহমানের কাছে পরাজিত হন হুমায়ুন কবীর৷
রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর ডেবরার প্রাক্তন বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের অফিসও বন্ধ করার অভিযোগ উঠেছিল স্থানীয় বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে।ডেবরার একাধিক তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয় খোলা হলেও হুমায়ুন কবীরের অফিস বন্ধ ছিল। বৃহস্পতিবার দুপুরে এসে তিনি নিজেই সেই অফিস খোলেন।
পাশাপাশি বর্তমান সরকারের প্রশংশায় পঞ্চমুখ হন তিনি। হুমায়ুন কবীরের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এখনও পর্যন্ত ভাল কাজ করেছেন। রাজ্য জুড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির জন্যও দলের শীর্ষ নেতৃত্বের দিকেই আঙুল তোলেন তিনি।
বৃহস্পতিবারই তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি তথা ডেবরা পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি প্রদীপ করকে গ্রেফতার করেছে পুুলিশ৷ ডেবরার এই তৃণমূল নেতার ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন হুমায়ুন কবীর৷ তিনি বলেন, ‘অনেক আগেই প্রদীপ করের গ্রেফতার হওয়া উচিত ছিল। আমি যতবার দলকে জানাতে গিয়েছি, ঘুরে আমিই কোণঠাসা হয়েছি। প্রদীপ কর আর তাঁর দাদা মিলে পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম জেলাটাকে শেষ করে দিয়েছে।’
হুমায়ুন কবীরই প্রথম নন, এর আগে একই অভিযোগে সরব হয়েছেন তৃণমূলের একাধিক পরাজিত প্রার্থী এবং প্রাক্তন বিধায়ক৷ এমন কি দলের টিকিটে জয়ী হওয়া ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো বিধায়কও তৃণমূল নেতাদের একাংশের দুর্নীতি বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন৷ প্রশ্ন তুলেছেন আইপ্যাক-এর ভূমিকা নিয়েও৷
Kolkata,West Bengal
