Last Updated:
Nadia News: তীব্র দহনজ্বালায় খানিক স্বস্তি দেওয়ার পাশাপাশি দুর্যোগে গেল প্রাণও। বজ্রাঘাতে নদিয়ার নাকাশিপাড়া এলাকায় দুটি পৃথক জায়গায় দুজনের প্রাণ গিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছেন এক মাঝবয়সী মহিলাও। বাড়িতে কাজ করার সময় তাঁর বাড়ির নারকেল গাছে বাজ পড়ে। তারফলেই এই দুর্ঘটনা। যা স্বাভাবিকভাবেই চিন্তা বাড়িয়েছে স্থানীয়দের।
নাকাশিপাড়া, নদিয়া, মৈনাক দেবনাথ: নাকাশিপাড়ায় বজ্রপাতে মৃত্যু হল এক মহিলা সহ দুজনের। মৃতরা হলেন নাকাশিপাড়ার গোবিপুরের বাসিন্দা তপন প্রামাণিক (৫০) ও দুর্গাপুরের বাসিন্দা উন্নতি সরকার (৩২)। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার বিকালে তপন বাবু পাটের জমিতে চাষের কাজে ব্যস্ত ছিলেন সেই সময় বজ্রপাতে গুরুতর জখম হন তিনি।
অপরদিকে উন্নতি সরকার বাড়িতে কাজ করছিলেন, সেই সময় বাড়ির নারকেল গাছে বাজ পড়ে, তিনিও বজ্রপাতে আহত হন। তাঁদের উদ্ধার করে বেথুয়াডহরী স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। উল্লেখ্য, বেশ কয়েকদিন ধরেই গোটা জেলা জুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ চলছিল। বৃষ্টির দেখা মিলছিল না। আবহাওয়া দফতর থেকে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়, বজ্রবিদ্যুতসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে নদিয়া জেলা জুড়ে।
বিক্ষিপ্ত বেশ কিছু জায়গায় বৃষ্টি হলেও, তীব্র বজ্রপাত হয়েছে নাকাশিপাড়া এবং তার আশেপাশের এলাকায়। বর্তমানে বজ্রপাত সহ বৃষ্টিপাত হলে বেশ বেশ কিছুটা সময় আগে থেকেই প্রত্যেকের মোবাইলে মেসেজ চলে আসে। ওই মেসেজ দেওয়ার একমাত্র কারণ আগাম সতর্কবার্তা, যাতে বজ্রপাতের সময় কোনও ব্যক্তি মাঠে-ঘাটে না যান এবং মৎস্যজীবীরা পুকুর বা নদী-নালায় যাওোয়া থেকে বিরত থাকেন। অনেকেই এই সমস্ত সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে চলে যান আর তখনই বিপদের সম্মুখীন হন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন বজ্রপাতের সময় কখনই বড় গাছের তলায় কিংবা ফাঁকা মাঠে কিংবা জমিতে দাঁড়ানো উচিত নয়। এমনকি কোন টিনের কিংবা লোহার ছাওনি দেওয়া আশ্রয়স্থলেও দাঁড়ানো বিপজ্জনক হতে পারে। যদিও চার চাকা গাড়ির মধ্যে থাকলে বজ্রপাত সেই গাড়ির উপর পড়লে খুব বেশি সমস্যা হয় না গাড়ির ভেতরে থাকা মানুষদের। এছাড়াও বজ্রপাতের সময় যেকোনও ঘরের মধ্যে থাকা নিরাপদ। তবেই এই সমস্ত বিপদ এড়ানো সম্ভব। আপাতত নাকাশিপাড়ার এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকাজুড়ে।
Nadia,West Bengal
Nadia News: স্বস্তির বৃষ্টির মাঝেই ঘনঘন বজ্রপাত, মাঝবয়সী মহিলার ঘরেই মর্মান্তিক পরিণতি! মাঠে কাজ করতে গিয়ে প্রাণ গেল কৃষকেরও
