Last Updated:
Lakshmir Bhandar Scam: লক্ষ্মীর ভাণ্ডার কেলেঙ্কারির তদন্তে একের পর এক গ্রেফতারি। পুলিশের দাবি, একাধিক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে প্রকল্পের টাকা তোলা হচ্ছিল। রাকিবুল শেখকে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে মুস্তাফিজুর রহমানের নাম সামনে আসে। পরে মুস্তাফিজুরকে জেরা করে তারিকুলকে গ্রেফতার করা হয়।
মুর্শিদাবাদ, কৌশিক অধিকারী: বহরমপুরের যুবকের নামে ঢুকত লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা। এবার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে আরও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ মুর্শিদাবাদে, আর তাতেই চমকে উঠলেন সকলেই। মুর্শিদাবাদে এবার দেখা মিলল বছর পাঁচেকের ছেলের নামে লক্ষীর ভাণ্ডার, পাঁচ বছরের শিশুর অ্যাকাউন্টে ঢুকত টাকা। এমনকি এক পুরুষের চারটি অ্যাকাউন্টে ঢুকত লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা। এই ঘটনায় শুক্রবার রাতে রঘুনাথগঞ্জ থেকে তারিকুল ইসলাম নামে আরও একজনকে গ্রেফতার করে বহরমপুর থানার পুলিশ।
জানা গিয়েছে, তারিকুলের নামে চারটি, তার স্ত্রীর নামে তিনটি ও পাঁচ বছরের ছেলের নামে একটি অ্যাকাউন্টে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা ঢুকত। পুলিশ রাকিবুল শেখ নামে এক যুবককে গ্রেফতার করে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে মুস্তাফিজুর রহমানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মুস্তাফিজুরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তারিকুলকে গ্রেফতার করে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পেশায় ছোট হোটেল ব্যবসায়ী রাকিবুল আগে বিদেশে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। পরে টাকা জমিয়ে মুর্শিদাবাদের বাড়িতে ফিরে এসে খাবারের একটি ছোট দোকান চালাতেন। এলাকায় ‘ভাল ছেলে’ হিসেবে পরিচিত রাকিবুলের সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক দলের যোগ ছিল না বলেই জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আর তারপরেই উঠে আসছে এবার মুর্শিদাবাদের একের পর একজনের নাম। তবে মুর্শিদাবাদ জেলাতে শতাধিক নাম রয়েছে এই অ-লক্ষ্মীর টাকা ঢুকত লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা।
Murshidabad,West Bengal
