কলকাতা: বড়পর্দায় নতুন সিনেমা নিয়ে আসছেন, অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত (Rituparna Sengupta)। তাঁর সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় থাকছেন, অর্মত্য রায় (Amartya Ray)। ছবির পরিচালনা করছেন, চৈতি ঘোষাল (Chaiti Ghoshal)। দীর্ঘদিন থেকে ছোটপর্দা ও বড়পর্দায় অভিনয় করছেন চৈতি। পাশাপাশি তিনি মঞ্চেও দাপটের সঙ্গে অভিনয় করে এসেছেন বছরের পর বছর। তবে এবার, পরিচালনায় পা রাখছেন চৈতি। তাঁর পুত্র অমর্ত্য অবশ্য ইতিমধ্যেই সিনেমায় অভিনয় করে ফেলেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, ‘উড়নচণ্ডী’ ছবিটি। এই সিনেমায় রাজনন্দিনী পালের সঙ্গে জুটি বেঁধে নজর কেড়েছিলেন অমর্ত্য। তবে এবার নতুন ভূমিকায় দেখা যেতে চলেছে তাঁকে। আর তাঁর বিপরীতে দেখা যাবে এক দুঁদে অভিনেত্রীকে। ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকে। নতুন এই ছবির নাম, ‘নেভার মাইন্ড’ (Never Mind)। ছবিটির প্রযোজনা করছে, ‘ভাবনা আজ ও কাল’ প্রযোজনা সংস্থা।
নিজের চরিত্র নিয়ে কী বলছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত?
এই সিনেমা নিয়ে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত বলছেন, ‘বর্তমানে বাংলা ছবি নিয়ে যা যা কাজ হচ্ছে, সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে, ‘নেভার মাইন্ড’ ছবিটা আমার ছকভাঙা বলে মনে হয়েছে। দিনরাত এই ছবির চিত্রনাট্য নিয়ে, লুক নিয়ে খেটেছি যাতে এটা শুধু বাংলা সিনেমা নয়, বিশ্বমানের সিনেমার মতোই অনুভূতি দেয় দর্শকদের। ‘জেন জি’ থেকে শুরু করে পুরনো প্রজন্ম.. সমস্ত প্রজন্মের মধ্যেই আমরা একটা মেলবন্ধন তৈরি করার চেষ্টা করছি। আমাদের ছবিটা পার্ক স্ট্রিটের গল্প বলে। পাশাপাশি এই সিনেমাটাকে মিউজিক্যাল ফিল্মও বলা যায়। সিনেমাটিতে গানের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এই সিনেমায় আমার চরিত্রের নাম, তৃণা লাহিড়ি। আমি চেষ্টা করেছি অভিনয়ের মাধ্যমে নিজের সেরাটা দিতে।’
পরিচালনায় পা রেখে, কী বলছেন চৈতি ঘোষাল?
সিনেমা নিয়ে অমর্ত্য বলছেন, ‘ নেভার মাইন্ড’ সিনেমাটার মধ্যে ভালবাসা রয়েছে, চেষ্টা রয়েছে, ঘুমহীন রাত রয়েছে… আর বহু বহু মানুষের খাটনি রয়েছে। আর এবার, এই সিনেমাটা কলকাতার, কলকাতাবাসীদের।’ এই সিনেমার হাত ধরেই পরিচালনায় পা রাখলেন চৈতি ঘোষাল। এই ছবি পরিচালনা নিয়ে তিনি বলছেন, ‘নেভার মাইন্ড ছবিটার হাত ধরে আমি পরিচালকের ভূমিকায় আত্মপ্রকাশ করলাম। একজন পরিচালক ঠিক যেমন একটি সিনেমা পরিচালনার স্বপ্ন দেখে, এই ছবিটা ঠিক তেমনই। ক্রিকেটে একটা কথা রয়েছে না, ক্যাপ্টেন তবেই ভাল হয়, যদি তার টিমটা ভাল হয়। আমি এই কথাটা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি। আমি খুব ভাল একটা টিম পেয়েছি। এই সিনেমায় যাঁরা যাঁরা কাজ করেছেন, শিল্পী থেকে শুরু করে কলাকুশলীরা.. প্রত্যেকেই অনবদ্য’।