Last Updated:
Agnimitra Paul on Abhishek Banerjee: গত শনিবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, “যিনি আমার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে হারেন তাঁকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে প্রত্যক্ষদর্শী হিসাবে পার্টি অফিস যখন ভাঙা হচ্ছে। বিজেপির গুণ্ডারা মুখ ঢেকে সব ভেঙে দিচ্ছে। আমরা আগামী দিন এই মামলা নিয়ে কোর্টে যাব।”
আসানসোল, অর্পণ মণ্ডল: ‘ফিরে আসুন, এক ঘণ্টার মধ্যে ইস্তফা দেব!’ গত শনিবার কালীঘাট থেকে শিবির বদল করা বা বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নেতাদের দিকে এই ভাবেই চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়৷ পাশাপাশি, জানিয়েছিলেন, যেভাবে বর্তমানে তৃণমূলের পার্টি অফিস ভাঙা হচ্ছে, ২০৩১ সালে ক্ষমতায় এলে সেই একই আইন প্রয়োগ করবেন তাঁরাও৷ সংবাদ মাধ্যমের সামনে দৃশ্যতই ক্ষুব্ধ অভিষেক জানিয়ে দেন, “প্রত্যেক ক্রিয়ার সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে বিজেপি নেতারা যেন ভুলে না যান।” এদিনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্য প্রসঙ্গে রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালকে প্রশ্ন করা হলে তিনি এক বেনজির উত্তর দেন৷
রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালে কাছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি কটাক্ষের সুরে বলেন, ‘‘এটা কি বাঘ বলছে, না বেড়াল বলছে৷ তাঁকে তো ডাকা হয়েছে…গলাটা চেক করিয়েছেন? উনি বাঘ না ফেউ৷ এই সব ডায়লগগুলো হিন্দি সিনেমাতে ভাল লাগে৷ অভিষেক ব্যানার্জির কাছে আমরা এই ডায়লগ শুনব না৷’’
তিনি বলেন, ‘‘১৫ বছর ধরে শুনেছি। তার ফলেই রাজ্য ৫০ বছর পিছিয়ে গিয়েছে। এইসব হুমকি আর দাবরানি আমরা আর শুনতে রাজি নই।’’
গত শনিবার বেআইনি নির্মাণকার্যের অভিযোগে আমতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ৫ তলা পার্টি অফিস ভাঙার কাজ শুরু করে প্রশাসন৷ রবিবারও সেই কাজ চলছে৷ শনিবার তৃণমূল পার্টি অফিস ভাঙার প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া চাওয়া হলে সংবাদ মাধ্যমের সামনে দৃশ্যতই ক্ষুব্ধ অভিষেক জানিয়ে দেন, ২০৩১-এ তাঁরা ক্ষমতায় ফিরলে ঠিক একই ভাবে মামলা-মোকদ্দমা ও আইনি পদক্ষেপের মাধ্যমে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে। তিনি বলেন, “প্রত্যেক ক্রিয়ার সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে বিজেপি নেতারা যেন ভুলে না যান।”
আমতলার পার্টি অফিস ভাঙা প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে অভিষেক বলেন, “যদি সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের দয়ায় বেঁচে থাকি, যে আইনের যে ধারায় আপনারা এই অত্যাচারগুলো করেছেন, একই আইনের একই ধারায় ৩১ ফিরিয়ে দেব সুদ সমেত। কথা দিয়ে গেলাম।”
পাশাপাশি, এদিন কালীঘাটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘হারের দায়িত্ব যদি আমার হয় তাহলে ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে ২৯ আসনে জয়ের কৃতিত্বও আমার হওয়া উচিত৷ আমাকে নিয়ে তো সমস্যা? আজকে ১৮ তারিখ, আপনি (বিদ্রোহীরা) যবে খুশি আসুন৷ আপনারা ফিরে আসুন আমি ১ ঘণ্টার মধ্যে ইস্তফা দিয়ে দেব৷’’
