Last Updated:
Assam Flood Crisis: রাজ্যে মোট ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ১ লক্ষ ৭৮ হাজার ৮৩৭। এর মধ্যে চরাইদেও সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত জেলা, যেখানে ৭৫ হাজার ১৯৯ জন মানুষ বন্যার প্রভাবে পড়েছেন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে শিবসাগর, যেখানে ক্ষতিগ্রস্তের সংখ্যা ৫৮ হাজার ৮২৪।
গুয়াহাটি: অসমে বন্যা পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি হয়েছে। শনিবার প্রকাশিত সরকারি বুলেটিন অনুযায়ী, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা কমে ১.৭৮ লক্ষে দাঁড়িয়েছে। তবে প্লাবিত জেলার সংখ্যা বেড়ে সাতে পৌঁছেছে। অসম রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষ (ASDMA) জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় বন্যাজনিত কোনও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। ফলে রাজ্যে বন্যায় মোট মৃতের সংখ্যা ৮২- তেই স্থির রয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, শিবসাগরে দিখৌ নদী এবং গোলাঘাটের নুমালীগড়ে ধনসিরি (দক্ষিণ) নদী এখনও বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে।
বর্তমানে গোলাঘাট, শিবসাগর, চরাইদেও, বাজালি, ধেমাজি, সোনিতপুর এবং জোরহাট—এই সাতটি জেলা বন্যার কবলে রয়েছে। মোট ২০টি রাজস্ব চক্র (Revenue Circle) এবং ৩৪৯টি গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
একদিন আগে পাঁচটি জেলা বন্যায় আক্রান্ত ছিল এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ছিল প্রায় ১.৯২ লক্ষ। সারা রাজ্যে বর্তমানে ৪৪টি ত্রাণ শিবিরে প্রায় ১৫ হাজার বাস্তুচ্যুত মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। এছাড়া ১৭টি ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রের মাধ্যমে ৫ হাজার ৫৬৯ জনকে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
ASDMA-র বুলেটিন অনুযায়ী, এখনও ১৫ হাজার ৬০ হেক্টরেরও বেশি কৃষিজমি বন্যার জলের নিচে রয়েছে। বন্যায় ১ হাজার ৫৪৩টি গবাদি পশু ভেসে গেছে এবং আরও ৬ হাজার ৭৬৫টি পশু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাড়িঘর, রাস্তা, সেতু, স্কুল এবং গোয়ালঘর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবরও পাওয়া গেছে।
মৌসুমি বৃষ্টির দাপটে কেরলেও পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর দফতর (CMO) জানিয়েছে, ভারী বৃষ্টিজনিত ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আরও ৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন। বিভিন্ন সরকারি সংস্থা, জনপ্রতিনিধি এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। রাজ্যে ৬৫টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে, যেখানে ১ হাজার ৪৬৫ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।
কিছু এলাকায় বৃষ্টির তীব্রতা কমলেও উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে। কোঝিকোড়ের আনাক্কামপয়িলে ৩৫ ঘণ্টায় ৩৪০ মিমি বৃষ্টি রেকর্ড হয়েছে। একই সময়ে ওয়েনাড়ের মেপ্পাডিতে ১৭৭ মিমি বৃষ্টিপাত হয়েছে।
চলতি বর্ষা মৌসুমে ওড়িশা অন্যতম ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, রাজ্যের ২০টি জেলায় ৮ লক্ষ ৩৪ হাজারেরও বেশি মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি জানিয়েছেন, প্রায় ৮ লক্ষ মানুষ বন্যার প্রভাবে পড়েছেন এবং বিভিন্ন নদীর জলস্তর কিছুটা কমতে শুরু করলেও বহু গ্রাম এখনও বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে।
New Delhi,Delhi
