Last Updated:
CJP: বার্গার খাওয়ার ভিডিও ভাইরাল হতেই বিজেতা দহিয়াকে মুখপাত্র পদ থেকে সরিয়ে দিল ককরোচ জনতা পার্টি৷ সমালোচনার মুখে ক্ষমা না চেয়ে একাধিক ভিডিও বার্তায় নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন দাহিয়া।
নয়াদিল্লি: একদিকে চলছে অনশন, মিছিল, বিক্ষোভ৷ অন্যদিকে, ফাস্ট-ফুডের স্টলে বার্গার খাচ্ছেন ককরোচ জনতা দলের বিজেতা দহিয়া৷ ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই শুরু হয় তীব্র বিতর্ক৷ এরপরেই বিজেতাকে মুখপাত্রের পদ থেকে বিজেতাকে সরিয়ে দিল সিজেপি৷
দলের মুখপাত্র বিজেতা দাহিয়াকে ছাত্র বিক্ষোভ চলাকালীন একটি ফাস্টফুড আউটলেটে বার্গার খেতে দেখা যাওয়ার ভিডিও ভাইরাল হতেই তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। শেষ পর্যন্ত বিতর্ক বাড়তে থাকায় তাঁকে দলের মুখপাত্র পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। দলের মুখপাত্র বিজেতা দাহিয়াকে ছাত্র বিক্ষোভ চলাকালীন একটি ফাস্টফুড আউটলেটে বার্গার খেতে দেখা যাওয়ার ভিডিও ভাইরাল হতেই তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। শেষ পর্যন্ত বিতর্ক বাড়তে থাকায় তাঁকে দলের মুখপাত্র পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
NEET পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে দিল্লিতে ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল CJP। যন্তর মন্তরের কাছে হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রী বিক্ষোভে অংশ নেন। বিক্ষোভ চলাকালীন পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, লাঠিচার্জ, বহু আহত ও আটক হওয়ার ঘটনায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
ঠিক সেই সময়েই সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। সেখানে দেখা যায়, আন্দোলনের অন্যতম মুখ বিজেতা দাহিয়া কাছাকাছি একটি শপিং মলের ফাস্টফুড রেস্তোরাঁয় বসে বার্গার খাচ্ছেন। ভিডিওটি সামনে আসতেই প্রশ্ন ওঠে—যখন ছাত্ররা রাস্তায় পুলিশের লাঠির মুখে পড়ছেন, তখন আন্দোলনের মুখপাত্র কীভাবে আরাম করে খাবার খেতে পারেন?
সমালোচনার মুখে ক্ষমা না চেয়ে একাধিক ভিডিও বার্তায় নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন দাহিয়া। তাঁর বক্তব্য, টানা কয়েক সপ্তাহ ধরে আন্দোলনের জন্য কাজ করার পর ক্ষুধা লাগায় খাবার খাওয়া কোনও অপরাধ নয়।
তিনি বলেন, “মানুষ বার্গার কেন খায়? কারণ তার খিদে পায় অথবা খেতে ইচ্ছে করে।” আরও দাবি করেন, তিনি জনসাধারণের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য নন এবং ব্যক্তিগত বিশ্বাস থেকেই আন্দোলনে অংশ নিচ্ছেন। এমনকি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “হ্যাঁ, আমি বার্গার খাব।”
তবে পরে তিনি আবার দাবি করেন, বার্গারে ময়দা ও ট্রান্স ফ্যাট রয়েছে জানতে পেরে শেষ পর্যন্ত সেটি খাননি। এই পরস্পরবিরোধী বক্তব্য নতুন করে বিতর্ক উসকে দেয়।
দাহিয়ার মন্তব্য ও আচরণ নিয়ে ক্ষোভ আরও বাড়তে থাকায় শেষ পর্যন্ত তাঁর থেকে দূরত্ব তৈরি করে CJP। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তাঁর আচরণ “অত্যন্ত অসংবেদনশীল” এবং দলের আদর্শ ও আন্দোলনের চেতনার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। এরপরই তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে মুখপাত্র পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা ব্যক্তিদের আচরণ ও বার্তা আন্দোলনের বিশ্বাসযোগ্যতার উপর কতটা প্রভাব ফেলে।
Kolkata,West Bengal
