Last Updated:
Donald Trump on Iran: গালিবাফ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরানের ওপর আবার হামলা চালানো হলে তার জোরাল পাল্টা জবাব দেওয়া হবে। একই সঙ্গে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীও জানায়, নতুন করে সংঘাত শুরু হলে তার প্রভাব শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, আরও বিস্তৃত এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে পারে। গালিবাফের কথায়, “শত্রুপক্ষের প্রকাশ্য ও আড়াল থেকে চালানো তৎপরতা স্পষ্ট করে দিচ্ছে, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চাপ তৈরি করেও তারা সামরিক লক্ষ্য থেকে সরে আসেনি। বরং নতুন করে যুদ্ধের পরিবেশ তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে।”
ওয়াশিংটন: কোন দিকে এগোচ্ছে মধ্য প্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি? শান্তি নিয়ে আলোচনা কোন পর্যায়ে৷ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার বলেছেন, ‘‘ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে হয় সমঝোতা হবে, না হলে আবার হামলার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।’’ এর আগে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, আলোচনা এখন ‘শেষ পর্যায়ে’ রয়েছে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, কূটনৈতিক সমাধানের সুযোগ খুব দ্রুত শেষ হয়ে যেতে পারে।
ওয়াশিংটনের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, “পরিস্থিতি এখন একেবারে বর্ডারলাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছে। যদি আমরা ঠিকঠাক উত্তর না পাই, তাহলে খুব দ্রুত সবকিছু বদলে যেতে পারে। আমরা প্রস্তুত আছি। আমাদের ১০০ শতাংশ সন্তোষজনক উত্তর দরকার। সেটা পেলে অনেকটা সময়, শক্তি ও প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হবে।” তিনি আরও বলেন, সমঝোতা খুব দ্রুত, এমনকি কয়েক দিনের মধ্যেও হতে পারে। তবে তার জন্য তেহরানকে ‘সম্পূর্ণ ইতিবাচক’ জবাব দিতে হবে।
ইরান প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, তেহরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথে এগোচ্ছিল বলেই তার সামনে অন্য কোনও পথ খোলা ছিল না। তবে তিনি দাবি করেন, ইরানের এই পরিকল্পনা খুব শিগগিরই শেষ হয়ে যাবে।
ট্রাম্প বলেন, “আমার আর কোনa উপায় ছিল না, কারণ তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে চলেছিল। কিন্তু সেটা খুব দ্রুত শেষ হবে। তেলের দামও দ্রুত কমে আসবে। হরমুজ প্রণালিতে আমাদের ১ হাজার ৬০০ জাহাজ রয়েছে, যেগুলো তেল নিয়ে খুব শিগগিরই চলাচল শুরু করবে।” তিনি আরও বলেন, “হরমুজ প্রণালি খুলে দিতেই হবে। আমরা গোটা বিষয়টাকে একটা সুযোগ দিতে চাই। তাই আমরা তাড়াহুড়ো করছি না।”
এদিকে বুধবার ইরান জানিয়েছে, যুদ্ধ থামানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পাঠানো নতুন প্রস্তাব তারা খতিয়ে দেখছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকেই বলেন, তেহরান আমেরিকার মতামত জানতে পেরেছে এবং তা পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তিনি জানান, ইরানের মূল দাবি হল— বিদেশে আটকে থাকা সম্পদ ছেড়ে দেওয়া এবং ইরানি বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন অবরোধ তুলে নেওয়া।
এর আগে ইরানের প্রধান আলোচক মহম্মদ বাঘের ঘালিবাফ অভিযোগ করেন, সমঝোতায় রাজি না হলে নতুন হামলার হুমকি দিয়ে ওয়াশিংটন আবার যুদ্ধ শুরু করতে চাইছে।
গালিবাফ সতর্ক করে বলেছিলেন, নতুন করে হামলা হলে ইরান ‘কড়া জবাব’ দেবে। একই সঙ্গে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী জানিয়েছে, নতুন হামলা শুরু হলে তার প্রভাব মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও ছড়িয়ে পড়বে। গালিবাফ বলেন, “শত্রুপক্ষের প্রকাশ্য ও গোপন তৎপরতা দেখাচ্ছে, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চাপের পরও তারা সামরিক লক্ষ্য থেকে সরে আসেনি। বরং নতুন যুদ্ধ শুরু করার চেষ্টা করছে।”
New Delhi,Delhi
