Last Updated:
তৃণমূলের নাম, প্রতীকের দখল কার হাতে থাকবে, কয়েকদিনের মধ্যেই সেই ফয়সালা করতে পারে নির্বাচন কমিশন৷
বৃহস্পতিবারই দিল্লিতে গিয়ে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে দেখা করে নিজেদের আসল তৃণমূল বলে দাবি পেশ করে এসেছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির৷ নিজেদের দাবির সমর্থনে জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্ত এবং পদাধিকারীদের তালিকাও নথি আকারে জমা দিয়ে এসেছে তারা৷
ইতিমধ্যেই কালীঘাট পন্থী তৃণমূলও নিজেদেরই আসল বলে দাবি করে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে রেখেছে৷ আসল তৃণমূলের স্বীকৃতি নিয়ে যে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে এবার সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন৷ দলের নাম, প্রতীক নিয়ে এই লড়াইয়ে দুই শিবিরের কী বক্তব্য, তা এবার জানতে চাইল নির্বাচন কমিশন৷ আগামী সোমবার, ৬ জুলাই বিকেল ৫টার মধ্যে নিজেদের বক্তব্য জানানোর জন্য দু পক্ষকেই কমিশনের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে৷
নির্বাচন কমিশনের চিঠি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, নির্বাচন কমিশন হল সর্বোচ্চ সংস্থা। তারা যা জানতে চেয়েছে তা আমরা জানিয়ে দেব। আমরা আমাদের যুক্তি আজ জানিয়ে এসেছি। সোমবার সন্ধ্যার মধ্যে কমিশনের কাছে আমাদের জবাব পৌঁছে যাবে। যদিও এ বিষয়ে এখনও কালীঘাট পন্থী তৃণমূলের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি৷
এ দিন দিল্লিতে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের সঙ্গে কমিশনের যে বৈঠক হয়েছে, তাকে অবৈধ বলে দাবি করেছিল কালীঘাট পন্থী তৃণমূল৷ বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, ‘বাড়িওয়ালার অনুমতিক্রমে ভাড়াটিয়া থাকে। ভাড়াটিয়া তো আর আসল বাড়িওয়ালা নন। যে ১০ জন গিয়েছেন, তাঁদের বলার সুযোগ তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করে দিয়েছেন। আসলে এই সব ভাড়াটিয়ার পিছনে পাড়ার কোনও দাদা আছে। যে বলছে গিয়ে দখল করে নে। এখন এটাই চলছে। বিজেপির মদতপুষ্ট জ্ঞানেশ কুমার, অশুভ শক্তি হিসেবে এই বৈঠক করছেন। কেন্দ্রের শাসক দলের হয়ে আমাদের ডিস্টার্ব করছেন জ্ঞানেশ কুমার।’
Kolkata,West Bengal
