Last Updated:
কাতারে যুক্তরাষ্ট্র ইরান শান্তি আলোচনা চালালেও মার্কিন বাহিনী দক্ষিণ ইরানে হামলা চালায়, ট্রাম্প দাবি করেছেন হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া ও বড় চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত
ওয়াশিংটন ডিসি: পশ্চিম এশিয়ায় চলতে থাকা সংঘাত থামানোর লক্ষ্যে ইরান ও আমেরিকা কাতারে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় শামিল হয়। এদিকে আবার কাতারে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ শেষ করার আলোচনা চলার মধ্যেই মার্কিন বাহিনী দক্ষিণ ইরানের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আত্মরক্ষামূলক হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ। সেন্টকমের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স জানান, এই হামলাগুলি সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং নৌ-মাইন স্থাপনের সক্রিয় চেষ্টায় থাকা ইরানি জাহাজগুলোকে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছিল। ক্যাপ্টেন হকিন্সের মতে, ইরানি বাহিনীর হুমকি থেকে মার্কিন সেনাদের রক্ষা করার জন্যই এই অভিযানটি চালানো হয়।
এদিকে, তেহরানের শীর্ষ আলোচক ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধানসহ একটি উচ্চপর্যায়ের ইরানি প্রতিনিধিদল আমেরিকার সঙ্গে একটি চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে দোহায় যান। সংঘাত নিরসনে চলতে থাকা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনার জন্য ইরানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি দোহায় পৌঁছেছেন। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এটিই ছিল এই অঞ্চলে কোনও উচ্চপদস্থ ইরানি নেতার প্রথম সফর। ওই যুদ্ধে তেহরান উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে হাজার হাজার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছিল। তবে, উভয়পক্ষই কৌশলগত উদ্দেশ্য নিয়েই আলোচনায় প্রবেশ করেছে।
কয়েকমাস ধরে চলা মার্কিন -ইরান সংঘাতের মধ্যে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খবর সামনে এসেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি বড় চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত হয়েছে, যা শুধু যুদ্ধের অবসানই ঘটাবে না, বরং বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালীও পুনরায় খুলে দেবে। ফলে জ্বালানী তেল নিয়ে যে সঙ্কট তৈরি হচ্ছিল বিশ্বজুড়ে, তা এবার কাটবে বলে আশা করা যায়৷ ট্রাম্প তাঁর নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া, ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ লিখেছেন যে, আমেরিকা, ইরান এবং আরও কয়েকটি দেশের মধ্যে একটি বড় চুক্তি চূড়ান্ত হতে চলেছে। তবে তিনি এও উল্লেখ করেছেন যে, চূড়ান্ত অনুমোদন এখনও বাকি এবং কিছু শর্ত পরিবর্তিত হতে পারে।
আমেরিকা ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির অবসান ঘটানোর চেষ্টা করা হবে। হরমুজ প্রণালী পর্যায়ক্রমে খুলে দেওয়া হবে।ইরানের বন্দরগুলোর উপর মার্কিন নৌবাহিনীর চাপ শিথিল হতে পারে।বিদেশী ব্যাঙ্কে আটকে থাকা কিছু ইরানি সম্পদ অবমুক্ত করা হতে পারে।এ র পরে কমপক্ষে ৩০ দিনব্যাপী নতুন আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে সবচেয়ে কঠিন বিষয়গুলি, বিশেষ করে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিয়ে আলোচনা করা হবে।
Kolkata [Calcutta],Kolkata,West Bengal
