Last Updated:
ফিরহাদ হাকিম থেকে মদন মিত্র, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়ের মতো একের পর এক নেতা দল ছাড়লেও এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই রয়েছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়৷
প্রিয়ব্রত গোস্বামী, বাঁকুড়া: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সঙ্গী, অনুগতরাও একে একে তাঁর সঙ্গ ছেড়েছেন৷ কেউ নাম লিখিয়েছেন এনসিপিআই-তে, কেউ আবার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন নব তৃণমূলে নাম লিখিয়েছেন৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে হাতেগোনা যে কয়েকজন পুরনো মুখ পড়ে রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়৷
যদিও বাঁকুড়ায় ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভায় গিয়ে শ্রীরামপুরের সাংসদ জানিয়ে দিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর শর্ত না মানলে ভবিষ্যতে তিনিও দল ছাড়ূবেন৷
বাঁকুড়ার তৃণমূল ভবনে ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভায় যোগ দিতে এসেছিলেন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র৷ সেই সভাতেই কল্যাণ বলেন, ‘যে যেখানে যাচ্ছে যাক। যে যেখানে ভাল থাকে থাকুক। কিন্তু আমি মমতাদিকে জানিয়ে দিয়েছি এদের আবার দলে ফিরিয়ে নিলে আমি দল ছেড়ে চলে যাবো।’
দলত্যাগী তৃণমূল সাংসদদের নিশানা করে কল্যাণ আরও বলেন, এক দেশ এক ভোট বিল পাশ করার জন্যেই তৃণমূল সাংসদদের কিনেছে বিজেপি। কিন্তু ওই বিল পাশ হয়ে গেলে ২০২৯-এর লোকসভা নির্বাচনের পাশাপাশি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনও হবে। তখন এই দুমুখোরা প্রার্থী হতে পারবে না।
এ দিনের প্রস্তুতি সভায় বক্তব্য রাখতে উঠে কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্রও একহাত নেন তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ ২০ জন সাংসদকে। তাঁর দাবি, ‘যাদের বিরুদ্ধে বিজেপি নেতারা লড়াই করেছে তাদের এখন দলে নিতে পারছে না। সেজন্য একটি বাফার জোন তৈরি করে এদের রেখেছে। ২০২৯ সালে এদের সবার মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। তখন এরা না তৃণমূলের থাকবে না বিজেপিতে যোগ দিতে পারবে।’
Kolkata,West Bengal
